English|Bangla আজ ৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার রাত ৩:৪৭
শিরোনাম
স্বপ্নের ফুলবাড়ী স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিতমহেশপুরের আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন মাননীয় জেলা প্রশাসকনরসিংদীতে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড ২৭৯ জনপবিত্রতা ও তওবার মাধ্যমে করোনা রোগমুক্তি শতভাগ সম্ভব- সংবাদ সম্মেলনে পীর লিয়াকত আলী খানদাগনভূঞা পৌরসভা করোনা ভাইরাস এর সংক্রমন ও প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্টিতরাণীনগরে চুরির ঘটনায় চার জন গ্রেফতার চোরাই মালামাল উদ্ধারনৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অগ্রগতি পর্যালোচনা ভার্চুয়াল সভাদিনাজপুর বিরল উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিতখানসামায় ট্রাক-ট্রাঙ্কলরী শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌঁছে দিলেন ইউএনওউলিপুরে রাস্তায় মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যু
ব্রাউজিং শ্রেণী

কবিতা-সাহিত্য

“গাঞ্জেরী”

"গাঞ্জেরী" কবি সাদেকুল ইসলামের কাজে কর্মে ধ্যান নাই তার নেশায় মত্ত সর্বক্ষণ জীর্ণতায় মলিন দেহ সুনজরে দেখে না কেহ কথায়, বুলে জাকমারি, গাঞ্জেরী' সে এক সমাজ বিরাগী গাঞ্জেরী। দুষ্টতায়, ধৃষ্টতায় জাতীর অভিশাপে-কলংকিত, কখনো না পায় সুখ অনুভব পাগলামিতেও পুলকিত। নির্ঘুম নিশিতে গৃহে নাই বাস শয়তান সে তার পুজারী সে এক সমাজ বিরাগী, গাঞ্জেরী। মানবতা বোধ কি সে তা জানে না ন্যায়' অন্যায়, এর কি তফাৎ হয় সেও তা বুঝে না কর্কশ রুঢ়তায় ভোর সাঁজ কেটে যায় বিবেকের হায় হায় জীবনের গতি কি! দুঃখের শায়েরী। গাঞ্জেরী, সে এক সমাজ…

জঙ্গিবাদ কে রুখবে

জঙ্গিবাদকে রুখতে হলে ছড়ার ভীষণ দরকার বুঝতে পারে আমজনতা এবং দেশের সরকার। ছড়া হবে কঠিন-কড়া জঙ্গিবাদকে রুখবে ছড়া সাথে থাকবে ষোলোকোটি জন; তবেই দেখবে বাংলাদেশে জঙ্গি নির্মূল এক নিমেষে মনের ভীতি দূর হতে আর লাগবে কতক্ষণ? ছড়াকারের ছড়াই এবার আনবে জাগরণ।

কবিতা

স্মৃতিতে অরণ্যবাস ........... নীহার বকুল। কে তুুমি? আমাকে হত্যা করেছো! তখনো হৃদয়ে আমার রাংসার কলরব। নদী তীরে শর্ষেক্ষেত, লালশাড়ী,রাজহাঁস তুুমি, বিরোদ্ধ বাতাসে ওগো হাওয়ায় হাওয়া। হলুদ ওড়নায় তোমার উড়ে যাওয়া বসন্ত ঠিক যেন ওড়ালে প্রেমের পরাগরেনু। কে গো মেয়ে তুমি? তুুমি কি আমার বসন্ত বাতাস? মনচায় উড়ে যেতে তুমার যমুনায়, নীল হবো উবু হবো তুমার আঙ্গিনায়। তোমার পাহাড়ি সবুজাভ নিবিড় অরন্য ভ্রমনে আমি যে উন্মাদ প্রেমিক এক। কে গো তুমি? মিষ্টি হাসো,…

ফুলপুর সাহিত্য পরিষদের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

গতকাল ১জানুয়ারী ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় কবি ও সাহিত্যিক আশরাফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় ও আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আকবর আলী আহসানের সভাপতিত্বে ফুলপুর পৌরসভার অডিটোরিয়ামে ফুলপুর সাহিত্য পরিষদের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এতে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, কোরআন খতম, কবিতা আবৃত্তি করা হয়। ফুলপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি আনন্দ মোহন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলী আহসানের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি ও সাহিত্যিক আশরাফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ফুলপুর পৌরসভার মেয়র মো. আমিনুল হক,…

সন্ত্রাসী আগ্রাসী

তুমি সন্ত্রাসী তুমি আগ্রাসী করলে তনন হত্যা, শত কবি জাগবে এবার বুঝবে তুমি মজা। তনন একটা বজ্র কন্ঠ সন্ত্রাসীরা ভিষন কম্পিত, আসল রূপ তুলে আনে সন্ত্রাসীরা হয় লাঞ্ছিত। কবি হত্যা নয়রে সোজা হয়না তারা মৃত, শহীদ হয়ে থাকে তারা ওপারে দেখ'না জীবিত। আসল লেখক স্বয়ং আল্লাহ সন্ত্রাসী তুমি জানোনা! আমাদের তুমি হত্যা করলে তিনি তোমায় ছাড়বেনা।

আজ বিজয়ের দিন,,লেখকঃ মোঃ মোবারক হোসেন শ্যামল

আজ বিজয়ের দিন আজ বিজয়ের দিন লক্ষ ভায়ের রক্তে আনা সুর্য রঙ্গিন দিন। আজ বিজয়ের দিন। একাত্তুরে যুদ্ধ করে দুই চোখেতে স্বপ্ন ভরে ভাইটি আমার জীবন দিলো দেশ স্বাধীনের তরে সুখ স্বপ্নে বিভোর হয়ে আনতে সোনালী দিন। আজ বিজয়ের দিন মায়ের স্বপ্ন বোনের স্বপ্ন গাথিবে বিজয় মালা শতকষ্টে শেষ করিবে পরাধীনতার জ্বালা আঁচল ভরে শোধ করিবে সব শহীদের ঋন।। আজ বিজয়ের দিন। মায়ের মুখের শেষ চুমুটা নিজে ললাটে লয়ে অস্ত্র হাতে ছোটলো রনে প্রান দিতে নির্ভয়ে ছেলেটা তার আর ফেরেনি স্বপ্ন বোনার দিন আজ বিজয়ের দিন। বোনের…

অস্তিত্ব তুমি, নও ভাষ্কর্য

বিজয়ের পতাকায় রক্তিম সূর্য্যে চন্দ্রের আলোয় বিশ্বের ইতিহাসে, নির্যাতনের সীমানা ছাড়িয়ে দিয়েছে উড়িয়ে যাঁর আলোক রশ্মি- তেজ শেখ মুজিব রহমানে। হে জাতির পিতা বাংলার আকাশে তুমিই রক্তিম সূর্য, হে লাল সবুজের পতাকার নির্মাতা কে বলে তুমি ভাস্কর্য! তোমার সূর্য্যের আলোক রশ্মি আজ ছড়িয়ে দেশ - বিশ্বে, হে মানচিত্র মৃত্তিকার নির্মাতা তুমিই চন্দ্র বাংলাদেশের নিশীথ আকাশে। তোমার শীতলতা আজ দান করছে বাংলার প্রতি কর্ণার- রাখাল-কৃষকের ঘরে, বাংলা- বিশ্বের ইতিহাসে মুজিব তুমি পৃথিবী-চন্দ্র- সূর্য- আকাশ- বাতাস- মৃত্তিকা। তাঁর বক্ষভেদ…

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সাহিত্য পরিষদ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সাহিত্য পরিষদ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়েছে। রোববার ৮ নভেম্বর নওমহল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্মানিত লেখক শিক্ষকদের উপস্থিতিতে সকলের মতামতের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়। এতে শেখ গিয়াস উদ্দিনকে প্রধান সমন্বয়কারী, রোকসানা পারভীনকে সভাপতি,শেলী রানী সরকারকে সাধারণ সম্পাদক ও বিলকিছ আক্তার রুমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ হলেন,কার্যনির্বাহী সভাপতি মোঃ ফজলে রাব্বি আল ফারুক, সিনিয়র…

জাগো তুমি মা

জাগো তুমি মা – বিউটি দাশ আলাপ জাগো তুমি জাগো মাগো মা স্থায়ী এই পূর্ণতিথীতে মাগো তোমার স্মরণী কত দেবতা করেছে তোমায় পূজা, মাগো তোমার এই ধরাধামে আসি- অসুর বিনাশ জয়ে তুমি অপরাজিতা অন্তরা কৃপা কর হে মাতা তোমার আরাধ্যর- দিন দুঃখী অসহায় হত দরিদ্রদের, উদয় করো মাগো মর্ত্যে শুভশক্তির- ধংস কর মাগো অশুভ অসুরশক্তির সঞ্চারী আমার বক্ষে দেখো মাগো তোমার- ভক্তি পূজার রক্তিম জবারি ঢালা, তুমি আমার জন্ম- আরাধ্য মাগো- আমার বক্ষে রাখো তোমার রাঙা- আশীষ পা।।

মধ্য গগণের সূর্য

সেদিন খুব করে হলেও একটা স্বাধীনভূখন্ডের মালিক ছিলাম না আমরা।বেঁচে থাকার নাগরিক অধিকার ছিল অন্য প্রান্তে।যখন বেঁচে থাকার আকুতি চলতো তখন মেরে ফেলার কি অদ্ভত কৌশল।লজ্জার চাদরের চেয়ে খেয়ে বেঁচে থাকার আকুলতাই ছিল মূখ্য। কঙ্কালসার দেহে কি পাবে শকুনিরা।রাজনীতির মাঠে রেফারিকে নিজেদের কব্জায় রেখে কি সুন্দর খেলার সুচনা করলো আমাদের বন্ধুসুলভ শুভাকাঙ্ক্ষী পশ্চিমারা।দীর্ঘদিন যাবত মজলুম হয়ে দেহে,ইজ্জতে আর চিত্তের বাকশক্তি হারিয়ে ফেলা জাতির পূর্বাকাশে উদিত হলো এক রক্তিম সূর্যের।যার বিকিরণের আলোটা তাদের সৃষ্টি মেঘের মধ্যে আটকে যেয়ে…

নূর আলম গন্ধী বিউটি দাশ

নূর আলম গন্ধী বিউটি দাশ নুর আলম গন্ধী, সুদক্ষ মিল সন্ধি। অামি কেন গরমিল, ঘষামাজা- ওভার রাইটিং। বন্ধ চোখে দীর্ঘক্ষণ, জানতে চাইলাম কারণ। তান্ডব -ভূমিকম্প -প্রলয়, অসংখ্য জ্যোতি-নক্ষত্রয়! ঘন অরণ্যে-মরুভূমি, বাতাসে পুষ্প বৃষ্টি ! মরুরমৃত বৃক্ষে ফুল, সমুদ্র তলে ভূমিকম্প, পাহড়ের চূড়ান্ত অরণ্য! বলি কে তুমি? আমিই সেই প্রকৃতি। নূর আঔলম গন্ধী? আমায় জানার সন্ধি। তাহলে কে আমি? হা হা হা তুমিই পাগলী, হবে না তোমার সন্ধি। করুণা কর প্রকৃতি, জ্ঞান আহরণে আগ্রহী। জ্ঞানের তৃষ্ণায় মরি, করুণা ধারায় তুমি।…

কবিতা- বন্যা শঙ্কা লেখক- দেওয়ান আবু সাঈদ নাসির

কবিতা- বন্যা শঙ্কা লেখক- দেওয়ান আবু সাঈদ নাসির শারীরিক চর্চা ঠিক রাখি সবুজ ঘাসে ফুটবল খেলে আমার মনে জাগতো আশা সেখানে গেলে রোজ বিকালে।। সবুজ ঘাসে সুন্দর পরিপাটী আর মাঝে মাঝে ছিলো কাঁদা দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেবল পানিতে ডুবে সব এখন সাদা।। যেখানে ছিলো কৃষকের ধান ছুটাছুটি করতো গরু-ছাগলে মাছে করে দৌড়াদৌড়ি আজ নৌকায় চড়ে মাছ ধরে জেলে।। পানি পানি পানি ছুঁইছুঁই অল্প পানি ছিলো হাওরে ঋতুর রোজ প্রবল বর্ষণে পানি এখন ঘরের কিনারে।। অঝোর ধারায় আরও যদি এভাবে প্রতিদিন বৃষ্টি হয় পানিতে হবে তল ভাটি অঞ্চল নেই এতেও…

কবিতা-মুজিব তো সেই, লেখক-মোঃ নাসির চৌধুরী তানভীর

কবিতাঃ মুজিব তো সেই লেখকঃ মোঃ নাসির চৌধুরী তানভীর টুঙ্গিপাড়ার বীরপুরুষ তুমি মুজিব তোমার নাম। নতুন দিনের পথ দেখালে পথের এদিক ওদিক তুমি আমার পিতা তো নও পিতার চেয়ে অধিক। কন্ঠ ছিল বজ্রময়ী কিসের আবার ভয় সাহস যখন বোধের সাথে ঘটায় সমন্বয়। বুকের ভেতর ধারন করো সমস্ত প্রত্যয়। আনছি কেড়ে সূর্যপ্রতিম অপূর্ববিস্ময়। তাই তো আমি গর্বে বলি জয় বাংলার জয়। মুজিব এর চোখে বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি দেখি তোমার বজ্রকন্ঠ শুনে গান কবিতা লিখি। তোমার ভাষন প্রতিবাদী হবার মন্ত্র শেখায় তোমার হাসি মিশে আছে লাল সবুজের রেখায়। জয় বাংলার…

সম্মান

সম্মান উত্তম রায় ******** মান নিয়ে হানি করে যেই মূর্খজন, জ্ঞান নাহি নাই তার অবুঝ সমান। মনে দিলে ব্যাথা কারো কবে বারে বার, সম্মান হারিয়েছে সে সম্মুখে সবার। সবকিছু হারিয়ে যে হাটে তালে তালে সম্মান পেয়ে সে আগেভাগে চলে। কভু যদি কেউ কারো খোটা মেরে যায়, কিছু নাহি থাকে তার ছুটিয়া পালায়। ভালবাসা সম্মান যদি ফিরে চাও, লোকোসেবা ছুটে ছুটে করিয়া বেড়াও। সকল শিক্ষা করিয়া রপ্ত নাহি হয় জ্ঞানিজন, দেখিতে আসিবেনা কেউ কি করেছো সাধন। সবিস্তারে যেবা নাহি বিলায় ধন, সম্মান নাহি পায় ছোটে প্রাণপণ। মিলে মিশে করে…

আত্রাই নদী

আত্রাই নদী উত্তম রায় *********** নদী ত‌ী‌রে ব‌সে থা‌কি সম‌য়ের ফাঁ‌কে, আঁকাবাঁকা হ‌য়ে গে‌ছে ভা‌টিয়া‌লি বাঁ‌কে। দীর্ঘ তু‌মি নদী খা‌নি সবাই মু‌খে ব‌লে, ‌তোমার উত্থান খু‌লে দে‌খি বই মা‌ঝে মে‌লে। আত্রাই না‌মে তু‌মি ব‌য়ে চ‌লে যাও, ‌তোমার ওপর বই‌ছে ঘা‌টে ঘা‌টে নাঁও। মা‌ঝি ব‌সে নাঁও বায় ‌খেয়াঘাট মা‌ঝে, নাঁও সা‌জি‌য়ে‌ছে সে নানারূপ সা‌জে। ‌বে‌শি বে‌শি প্রস্থ না‌হি হয় য‌দি, বর্ষায় উত্তাল আত্রাই নদী। ‌চৈতালী দি‌নে তার সাঁ‌কো আছে গা‌য়ে, কত জনার চলাচল হা‌টে নিজ পা‌য়ে। খাঁ খাঁ রোদ্দুর বা‌লি পা‌য়ে…

করোনা

করোনা তুমি করনা আমাদের কোন অক্ষয় তোমার চেয়ে শক্তিশালী আছে, আমাদের মহাপ্রভু সৃষ্টিকর্তাই তুমি চাইলে পারনা অন্যকে করতে অক্ষয়। তোমার জন্যই একজন আছে যিনি আমাদের মহানপ্রভু সৃষ্টিকর্তাই, মহাপ্রভুর কাছে করি এই মিনতি করোনা কে করে দেও তুমি অক্ষয়। হে প্রভু তুমি আমাদেরই রব তোমার কাছে আছে আমাদেরই সব, করোনা থেকে তুমি আমাদের কে কর রক্ষা হে প্রভু তোমার কাছে করি বারে বার এ মিনতি।

কিছু কথা

হয় তো তোমার সাথে দেখা আর হবে না। হবে না আর পাশাপাশি বসে গল্প বলা। অনেক কথা বলার ছিলো বলা হলো না? অনেক সময় স্মৃতির পাতায় আছে ভুলা যাবেনা? দিন গুলো যাচ্ছে ভালো আনমনে। হঠাৎ সকল কিছু এলোমেলো হলো কিছু ভুলে। সময়ের পরির্বতনে মনেরই খোবে পর হলাম দু-জনে।

ক্রমিকঃ ১১৩৫ কোকিলের ব্যাথা

কণ্ঠে ব্যকুলতা মনভার চিরকুট কুহুতানে কোকিলে জাগিছে ভোর; পশ্চাৎ ভাবনা নিখুঁত। সমীরণে গর্জন সমুদ্র বহুদূর নদী বুকে নেমে আসে চন্দ্রর নূর। জ্যোৎস্নার জোনাকি মিটি মিটি জ্বলে ওই ব্যকুলতা মনভার চিরকুট গেল কয় । কথাদের সুরে রোজ ; নেই নাতো কেউ খোঁজ ... বানানের কালিতে লেখা গুলো পড়ে বোঝ বোঝাবোঝি কথাদের ; কাব্যে হল ঘের জেগে দেখো শিল্পী আঁকিছে ছবি ঢের। ফের যদি আসো গায়; নিতে খোঁজ বারবার বরাবর ; বলে দেয় কুল নেই পারাবার ... পথ সদা হারাবার। চাপা বুক সুর চুপ ; নিরবে কথা হয় অযথায়; পথ গুলো কারা…

ঈদের আগে বাড়ি ফেরা অনিশ্চিত রোকেয়ার, নিশ্চিত বাড়ি ফেরার গল্প

যৌবনের প্রাম্ভেই ভালোবেসে বিয়ে করেন রোকেয়া ট্রাকের হেলপার বিল্লাল হোসেন কে। প্রথমত তাদের বিয়ে মেনে নেয়া নিয়ে উভয় গার্জেন পক্ষের রীতিমতো ধকল সইতে হয়েছিলো তরুণী কন্যা রোকেয়াকে। একপর্যায়ে কোন রকম মেনে নিয়ে নব্য প্রেমিক স্বামীর সাথে সংসার জীবন শুরু করেন। তার পরেও চলতে থাকে নানা বাধা বিপত্তি। এরই মাঝে গরীব অসহায় পরিবারের কন্যা রোকেয়ার মাতৃ বিয়োগ হয়! রোকেয়ার চোখেমুখে নেমে আসে দুরাশার ছাপ। কিছু দিন পর তার গর্ভে জন্ম নেয় একটি কন্যা সন্তান। স্বামী বিল্লাল হোসেন ইতোমধ্যে ট্রাক ড্রাইভার হয়েছে, মাসের বেশির ভাগ সময় পার করেন জেলার…

মা কবিতা

হয়তো হাজার লোকের ভিড়ে, আমি খুজে বেড়ায় মা তোমাকে। কিন্তু এই হৃদয়ে আলিঙ্গনে, পারবো কিহৃদয়ের স্পন্দন দিয়ে মা তোমাকে আগলে রাখতে। ভালোবাসার যে আছে অনুভূতি, আমার এই হৃদয়ে সবটুকু দেব মা তোমাই , আমার এ জীবন বিলিহীন করে। মা আজও কি পারব ? তোমার ভালোবাসার মাঝে নিজেকে বিসর্জন দিতে। হয় তো কোন রঙিন সকালে বৃষ্টি হয়ে এসে মা তোমার মনকে বিজিয়ে দিতে। হয় তো হাজার লোকের ভিড়ে, আমি আবার খুঁজবো মা তোমায় সকল নীরে। লেখক: গোলাম কিবরিয়া চরফ্যাশন সরকারি কলেজ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ।