English|Bangla আজ ৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার বিকাল ৩:৪৫
শিরোনাম
স্বপ্নের ফুলবাড়ী স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিতমহেশপুরের আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন মাননীয় জেলা প্রশাসকনরসিংদীতে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড ২৭৯ জনপবিত্রতা ও তওবার মাধ্যমে করোনা রোগমুক্তি শতভাগ সম্ভব- সংবাদ সম্মেলনে পীর লিয়াকত আলী খানদাগনভূঞা পৌরসভা করোনা ভাইরাস এর সংক্রমন ও প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্টিতরাণীনগরে চুরির ঘটনায় চার জন গ্রেফতার চোরাই মালামাল উদ্ধারনৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অগ্রগতি পর্যালোচনা ভার্চুয়াল সভাদিনাজপুর বিরল উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিতখানসামায় ট্রাক-ট্রাঙ্কলরী শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌঁছে দিলেন ইউএনওউলিপুরে রাস্তায় মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যু

ফিরে আসার পথে

সোহেব চৌধুরী

যার অস্তিত্ব যেখান থেকে শুরু
তার মতো করে ফিরে যাবে সন্ধ্যার নিড়ে,
বড়ই গাছে চড়ুইদের ভিড়ে।

শত ব্যস্ততাকে অপেক্ষায় ফেলে
ভেলা ভাসাবে সেদিন অশ্রুস্রোতে
ঢেউ ভাঙ্গা আর্তনাদ আকাশের ঐ উদাস মেঘে জড়ো হবে।
পৌষের কুয়াশা চোখে ঘোলাটে রোদ্দুর ঘাম ঝড়াবে বন্ধুর কনুয়ে।

কাস্তেকুড়াল সবুজ কচি ঘাস কুড়াবে তোমার বিছানার পরশ ঘুচিয়ে।

যার অস্তিত্ব যেখান থেকে শুরু
তার মতো করে ফিরে যাবে সন্ধ্যার নিড়ে, বড়ই গাছে চড়ুইদের ভিড়ে।

সূর্যপথ পাড়ি দিবে যখন ঐ রাঙ্গা মেঘের নিম্নে;
হিজলের ছায়া পড়বে তখন দিঘিজলের পৃষ্ঠে,
বকেরাও ফিরত যাবে সেদিন নিজের মতন প্রতিদিনের ঝোপঝাড়ে।

জোনাকিরা সেদিন বিলের নালায় মিছিল সমাবেশে আহত কন্ঠে জ্বলে যাবে ভোর রাতের ঐ তারাদের মিলিয়ে।
যে যার মতো করে ফিরে যাবে আবার ঝোপঝাড়ে সন্ধ্যা বানিয়ে সেদিনের ঐ সকালটাকে।
ধুলিপড়া এই ইটপাথরের শহরটাকে
ছুটি জানিয়ে;

যে যার মতো করে
একটা গল্প বানিয়ে;
নিখিলের চায়ের দোকান ঘিরে
ছোট সেই জটলার ভিড়ে,
বলাবলি করবে ফোটন

বেশ অনুভব করে।
তখন বিকেলবেলা,
মন ভড়ে
আর্তনাদ!
ফিরে আসার কবিতা!

সে সারাদিন আঁকতো
“বিলের কিনারায় রাখালের ছবিটা,
তিন জোড়া সাদা কালা আর লাল গরু
হাতে তার কাঞ্চা বাঁশের বাশি
খুবি সরু”

চায়ে চুমুক দিয়ে গালে হাত রেখে
আমায় বলত

“জীবন দা’র বনলতা সেনের দু’একটা লাইন”

আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন”
সূর্যাস্ত থেকে ফিরে আসে আবার সন্ধ্যে।

দোকানে হারিকেনের আলোয় কেরাসিন তেলের গন্ধ্যে
বেশ মাখামাখি।

তখন মাঘের শেষে
ফাল্গুনের বাতাসে,
ইরিধানের ঘ্রাণ;
অশ্বত্বগাছের নিচে নিখিলের দোকান।

দোকানের পিছনে খালের বাকে কেওড়াগাছের ঝোপঝাড়ে শিয়ালেরা ডাকে; সেদিনগুলিতে ঝিঝিপোকারাও থেকেথেকে
এক সুরে গান গেয়েছিল লেবুপাতা আর জুঁইশাখে।

ফিরে আসার পথে ফোটন আর ছোটন
যে যার মতো সন্ধ্যার নিড়ে
বড়ই গাছে চড়ুইদের ভিড়ে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো