English|Bangla আজ ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার সকাল ৮:৫২
শিরোনাম
অবহেলা শিকার স্বেচ্ছা রক্তদাতারা -জান্নাত আরা জুঁইপলাশবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে মাদক ও অর্থসহ গ্রেফতার-১পাটগ্রামে শিক্ষার্থীদের মাঝে র‌্যাবের মাদক ও জঙ্গিবিরোধী প্রচারণাভারত থেকে অবৈধভাবে ফেরার পথে দহগ্রামে দুই বাংলাদেশী আটকপাটগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনবান্দরবানে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধারপাটগ্রাম প্রেসক্লাবে উপহার সামগ্রী প্রদান“বিসকা ইউনিয়নের ১ ইঞ্চি রাস্তাও কাঁচা থাকবেনা”রাস্তা উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে বললেন বাবুল মিয়া সরকার।পলাশবাড়ীতে ডায়াবেটিকস সমিতির ওয়াশরুম উদ্বোধনখানসামায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করায় আনন্দ মিছিল

সুন্দরগঞ্জে শিশুকে অপহরণের পর হত্যা মামলার ১০ আসামী খালাস

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:-
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু সাকিবুল ইসলাম ওরফে শুভ হত্যা মামলার ১০ আসামিকেই খালাস দিয়েছে আদালত। ২১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১টায় গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ বিচারক কেএম শহীদ আহমেদ এ রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বালাপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, চাচিয়া মীরগঞ্জ গ্রামের কবির মিয়া, হারুন মিয়া, সুমন মিয়া, রবিনহুড, নিজামখাঁ গ্রামের মোস্তাফিজার রহমান, জুয়েল চন্দ্র, মীরগঞ্জ এলাকার রিপন কুমার সাহা, বালাপাড়া গ্রামের মিল্টন মিয়া ও একই গ্রামের লাভলু মিয়া।

মামলায় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মীরগঞ্জ বালাপাড়ার আশেক আলী মাস্টারের পাঁচ বছর বয়সী শিশুপুত্র সাকিবুল ইসলাম ওরফে শুভকে বাড়ির উঠান থেকে অপহরণ করে একদল দুর্বৃত্ত। এরপর অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে শুভর বাবার কাছে। মুক্তিপণ না পেয়ে নির্মমভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়। ঘটনার দুইদিন পর অপহরণকারী চক্রের ৯ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের দেয়া তথ্যে ১০ সেপ্টেম্বর রাত আটটার দিকে মীরগঞ্জ গুচ্ছ গ্রামের পাশে ঈদগাঁ মাঠের দক্ষিণে একটি নালার কচুরিপানার নিচ থেকে শুভর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আশেক আলী মাস্টার বাদী হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে তার ভাই আব্দুর রাজ্জাকসহ ১০ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুন্দরগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) জিন্নাত আলী নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একই বছরের ডিসেম্বরে ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহিন গুলসান নাহার মুনমুন রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা আশাবাদি ছিলাম কমপক্ষে ৩/৪ জনের ফাঁসির আদেশ আসবে। এই রায়ে বাদিপক্ষ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু আলা মো. সিদ্দিকুর ইসলাম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমার মক্কেলরা ন্যায় বিচায় পেয়েছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো