English|Bangla আজ ২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার রাত ৮:৪৭
শিরোনাম
রাণীনগরে লকডাউন বাস্তবায়নে তৎপর পুলিশ; ১৩ জনকে মামলা দুইটি গাড়ি আটকরাণীনগরে লকডাউন অমান্য করায় ৪৪ জনকে জরিমানাপ্রখ্যাত গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর এর মৃত্যুতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী এমপিচট্রগ্রামে চালু হলো সিএমপিতে ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’কুমিল্লায় করোনায় আরও মৃত্যু ০৬ নতুন শনাক্ত ২৬৩জনদেবীদ্বারে সন্তানের পিতৃপরিচয়ের দাবীতে প্রতিবন্ধী মা ঘুরছে সমাজের দ্বারে দ্বারেনাগেশ্বরীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আপন দুই ভায়রা ভাইয়ের মৃত্যুফুলবাড়ীর মিষ্টিকে বাচাঁতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিনপত্নীতলায় ট্রাক্টরের ধাক্কায় আপন দুই ভাই একজন নিহত অপর জন আহততাহিরপুরে পর্যটক ভ্রমণ নিষিদ্ধে মাইকিং ও মোবাইল কোর্টে জরিমানা

যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে একসাথে কাজ করবে চসিক-বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আল আমিন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

নগরীর ৪১ ওয়ার্ড এলাকাবাসীর যক্ষ্মা রোগ নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সমন্বিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসুচির আওতায় চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সমন্বয় করে কাজ করলে রোগ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরো বেগবান হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

তাই বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনকে সমন্বিত করছে। আজ ১৭ ডিসেম্বর সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন জেনারেল হাসপাতাল সম্মেলন কক্ষে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর আওতায় বিআই এ্যানুয়েল মনিটরিং মিটিং অন টিভি ইন চট্টগ্রাম শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন যৌথ ভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত ১৩টি হেলথ সেন্টারের মাধ্যমে নগরের যক্ষ্মা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এই নগরে প্রতি বছর ১৪ লাখ ৪০ হাজার মানুষ বাড়ছে। স্বাভাবিক ভাবেই নগরের চিকিৎসা সেবায় অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ পড়ছে। কিন্তু আমাদের সীমিত জনবল দিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

যক্ষ্মা রোগ নিয়ন্ত্রণে এতদিন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্বতন্ত্র ভাবে কাজ করে এসেছে। তবে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই ব্যাপারে চসিককে সাথে নিয়ে স্ব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের লক্ষ্য মাত্রা সাসটেইনবল ডেভেলপমেন্ট গোলের লক্ষ্য অর্জনের মধ্যে নিরাপদ স্বাস্থ্য অন্যতম একটি গোল।

এসডিজি অর্জন করতে হলে নিরাপদ স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে। জাতিসংঘ ঘোষিত মধ্যম আয়ের দেশ- এই স্বীকৃতি অর্জন করতে হলে আমাদেরকে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে হবে। যক্ষ্মা রোগ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিটি করপোরেশের সাথে সমন্বিত হওয়ার এই উদ্যোগ কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সেলিম আকতার চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় চসিক প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মো সামসুদ্দোহা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা হাসান শাহরিয়ার কবির, চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ফজলে রাব্বি, বিভাগীয় স্বাস্থ্য সহকারী ডা বিশাখা ঘোষ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো