English|Bangla আজ ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার বিকাল ৩:৪১
শিরোনাম

মৌসুমের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েও দলে জায়গা হলনা রিফাতের!

ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ ২০১৯ মৌসুমে চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগে ষ্টার ক্লাবের হয়ে ৯ ম্যাচে ২৭ উইকেট শিকার করে সাজেদুল আলম রিফাত যেটা চট্রগ্রাম ১ম বিভাগ লীগে ২০১৯ মৌসুমে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ উইকেট এবং ২০১৮ মৌসুমে চট্টগ্রামের হয়ে অনুর্ধ-১৮ জেলা পর্যায়ে সর্বোচ্চ উইকেট ও ২০১৯ মৌসুমে চট্টগ্রামের হয়ে অনুর্ধ-১৮ জেলা পর্যায়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও রিফাত।

আগেরবার কুমিল্লার বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচে একাই ম্যাচে ৮ উইকেট শিকার করেন এই তরুন বাঁহাতি স্পিনার সাজেদুল আলম রিফাত। অথচ ২০১৯ মৌসুমে চট্টগ্রাম অনুর্ধ-১৮ বিভাগীয় ১৫ সদস্যের দলে সুযোগ মিলেনি এই তরুনের। নেই কোন ইঞ্জুরি নেই কোন বয়সের জামেলা তাহলে কেন তার ক্যারিয়ার আজ হুমকিতে?

পর পর দুই বছর অনুর্ধ-১৮ বিভাগীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হইয়েও বিভাগীয় দল থেকে রিফাতকে বাদ দেওয়া হয়েছে? বয়স ভিত্তিক, বিভাগীয় এবং ডিভিশন লীগে রিপাতের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স থাকার পরেও কেন তাকে বাদ দেওয়া হল এমন প্রশ্ন পুরা চট্রগ্রাম ক্রিকেট পাড়ায়?

চট্টগ্রাম থেকে এখন আগের মতো ক্রিকেটার আসে না কেন? তামিম ইকবালের এক ভক্তের এই প্রশ্নের জবাবে তামিম ইকবাল বলেছিল “চট্টগ্রাম ক্রিকেট ম্যানেজমেন্টের কারণে আজ চট্টগ্রাম ক্রিকেটের এই অবস্থা। অতএব, তামিম ইকবালের মন্তব্য সঠিক ছিল তার প্রমান সাজেদুল আলম রিফাত।

২০১৯ মৌসুমে চট্টগ্রামের হয়ে অনুর্ধ-১৮ জেলা পর্যায়ে ৪ ম্যাচে ১৪ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্ছ উইকেট শিকারি হয়েও দলে জায়গা মিলেনি।এরকম হাজারো রিফাত বছরের পর বছর ভালো করেও দলে সুযোগ মিলেনা শুধুমাত্র সিলেক্টরদের অবহেলা এবং স্বজনপ্রীতির কারনে।

ভালো ক্রিকেট খেলেও যদি এই উঠতি বয়সেই ধাক্কা খায় তাহলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের হাল এর চেয়ে ভালো কিভাবে হবে এমন মন্তব্য চট্রগ্রামের ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেট জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) এ চট্টগ্রাম বিভাগীয় দল নিজ বিভাগ থেকে খেলোয়াড় খুজে পায় না অন্য বিভাগ থেকে খেলোয়াড় নিয়ে এসে দল গঠন করতে হয়। বিগত কয়েক বছর চট্টগ্রাম বিভাগীয় দল টায়ার ২ থেকে টায়ার ১ এ উঠতে পারছে না , এবার ২০১৯-২০২০ মৌসুমে আটদলের ভিতরে সবার নিচে থেকে (এনসিএল) শেষ করেছে চট্রগ্রাম।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর সময় এসে গেছে জেলা দলগুলো জবাব দিহিতার আওতায় নিয়ে আসা এবং গোয়েন্দা তদন্ত করা যাতে করে জেলা দল গুলো সঠিক নির্বাচন হচ্ছে কিনা? নাকি জেলা কোচ দের পছন্দের খেলোয়াড় দিয়ে দল গঠন হচ্ছে। ক্রিকেট বোর্ড এর এই নিয়ম চালু করা জরুরি। কেননা একাডেমির দায়িত্বে থাকা কোচ যখন ডিভিশনের কোচ বা নির্বাচক হয় তখন রিফাতের মত ছেলেদের জায়গায় আর থাকেনা বসে যায় কোচ নির্বাচকদের পছন্দের খেলোয়াড়দের এমন মন্তব্য বিভাগীয় খেলোয়াড়দের।

কোন একাডেমীর দায়িত্বে থাকা কোন কোচ জেলা অথবা ডিভিশনের কোচ হতে পারবে না এই নিয়ম যদি চালু করা যায়, তাহলে কোরাম ভিত্তিতে দল গঠন থেকে বিরত থাকবে সম্মানিত কোচগন।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো