English|Bangla আজ ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার রাত ২:০৯
শিরোনাম
কুমিল্লা দেবীদ্বার মুক্ত দিবসে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও মাস্ক বিতরননাইক্ষ‌্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন-আহ্বায়ক(১) মনোনিত হয়েছেন শাহনেওয়াজ চৌধুরীযুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির জন্মবার্ষিকীতে আগৈলঝাড়ায় দোয়া ও মোনাজাতগোবিন্দগঞ্জে চা দোকানীর গলাকাটা লাশ উদ্ধারপলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত কমিটির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতকেশবপুরে শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি এর ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতকেশবপুরে সাবেক মেম্বারের নের্তৃত্বে ভ্যানচালকের বসতবাড়ি ভাঙচুরসহ দখলের অভিযোগরুহিয়ায় এতিমখানায় শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন- মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ফাউন্ডেশন।নারায়ণগঞ্জ কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে চুরি হয়ে যাওয়া পিক-আপ উদ্ধার আটক-২তারাকান্দা উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবা টেবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

মৃত্যুকূপ চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এর কথা সবার জানা থাকলেও চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল সম্পর্কে অনেকেই তেমন কিছু জানেন না। পাঠকদের জন্য আজ আমাদের আয়োজন রহস্যে ঘেরা চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল সম্পর্কে।

বিশাল ঘূর্ণিপাক। চারপাশ থেকে প্রবাহিত হচ্ছে তীব্র স্রোত। ভয়ঙ্কর ওই ঘূর্ণিপাকে কিছু পড়লে তার আর হদিস মেলে না। এমনকি বড় বড় যাত্রীবাহী লঞ্চও তলিয়ে গেছে এখানে, যেগুলোর সন্ধান কোনোদিনই আর পাওয়া যায়নি। বলছি চাঁদপুরের ত্রিনদীর সঙ্গমস্থলের কথা, যা স্থানীয়ভাবে কোরাইলার মুখ নামেও পরিচিত।

পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া তিন নদী এসে মিলেছে এখানে। নদীগুলো তিনদিক থেকে প্রবাহিত হয়ে মিশে যাওয়ায় সেখানে পানির বিশাল এক ঘূর্ণিগর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই ট্রায়াঙ্গেলে পড়েই নিখোঁজ হয়েছে শত শত মানুষ, লঞ্চসহ কার্গো কিংবা ট্রলার। তিন নদীর এ সঙ্গমস্থল যেন এক মৃত্যুকূপ।

মোহনাটি নদীর একেবারে তীরে অবস্থিত। সাধারণত নদীর তীর অগভীর থাকে। তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, নদীর তীরে হওয়া স্বত্ত্বেও এই মোহনা অনেক গভীর। বর্ষাকালে এটি রূপান্তরিত হয় মৃত্যুকূপে। পানির ভয়ঙ্কর ঘূর্ণি দেখে মানুষের মনে শিহরণ জাগে। এই মোহনা নিয়ে লোকমুখে অনেক গল্প প্রচলিত রয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াস বলেন, মোহনায় দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। জেলে নৌকা, মালবোঝাই ট্রলার ও যাত্রীবাহী ট্রলার প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। আমরা এসব দুর্ঘটনা এড়াতে সর্বদা কাজ করছি। যতদিন ডুবচর ও বিপরীত পাশের চরগুলো খনন করা না হবে, ততদিন এখানে স্রোত কমবে না। স্রোতের কারণে শহর রক্ষা বাঁধও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্রোতের গতিপথ পরিবর্তন হলে এখানে দুর্ঘটনা কমে আসবে। এদিকে বিপরীত পাশের চর জেগে ওঠায় পদ্মা নদীতে ইলিশ ঢুকতে পারছে না। এজন্য ইলিশ আহরণও হুমকিতে রয়েছে।

চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো. আবু তাহের বলেন, মোহনাটিতে সবসময়ই প্রবল ঘূর্ণি স্রোত বয়ে যেতে থাকে। যার কারণে নৌযানগুলো দুর্ঘটানার শিকার হয়। এখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে আমরা সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। এছাড়া, ঝুঁকি কমাতে এ স্থানে সতর্কতা জারি করা হয়।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো