English|Bangla আজ ৯ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার রাত ৮:১৮
শিরোনাম

বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার নিজেই যখন রুগী।

স্টাফ রিপোর্টার।

পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের পানির ফিল্টার নিজেই রুগী হয়েছে। প্রায় তিন মাস পূর্বে বর্তমান বাজার দরের প্রায় পাঁচ গুন বেশি দামে মোট ২৪টি পানির ফিল্টার রুগীদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে হাসপাতালের অফিস সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্থাপন করা হয়। কিন্তু কিছু দিন না-যেতেই সবগুলো পানির ফিল্টার অকেজো হয়ে যায়।

রুগী দের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য একটি মাত্র ডিপ টিউব ওয়েল ব্যবহার করতে হচ্ছে। দেখা গেছে সে টিউবওয়েলটি বেশিরভাগ সময় নস্ট থাকে। ফলে রুগী দের ভোগান্তি চরমে পৌছেছে।

জানাগেছে প্রতিটি ফিল্টার বর্তমান বাজারে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার টাকায় পাওয়া গেলেও অদৃশ্য কারনে প্রতিটি ফিল্টার প্রায় ৬৬ হাজার টাকায় ক্রয় করা হয়। এ বিষয় সরবরাহকৃত ডিপার্টমেন্ট PWD বলছে কিছু দিন পূর্বে হাসপাতালের চাহিদা অনুযায়ী এগুলো সরবরাহ করা হয়েছে। এত তারাতারি অকেজো হওয়ার বিষয় কোন মন্তব্য করেনি।

তবে তারা বলছে অভিযোগ পেলে ফিল্টার গুলো পরিবর্তন করা হবে। এ বিষয় ইতিপূর্বে বিভিন্ন গণমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশ হোলেও অদৃশ্য কারনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিরব ভূমিকা পালন করছে। পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে বরগুনা, কুয়াকাটা, কলাপাড়া গলাচিপা সহ প্রায় দুজেলার রুগীরা চিকিৎসা নিতে এখানে আসেন।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল হোলেও এখানে রুগীর চাপ অনেক বেশি। হাসপাতালে পানির ফিল্টার সহ একাধিক সমস্যায় জর্জরিত,রুগী দের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়া সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এ বিষয় কথাবলতে চাইলে হাসপাতালের দায়ীও প্রাপ্ত কোন কতৃপক্ষকে পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছে এগুলো শুধুমাত্র কতৃপক্ষের অবহেলা ছারা কিছুই নয়। বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন হাসপাতাল এমন একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান যেখানে মানুষ চিকিৎসা নিতে এসে ভালো হয়ে বাড়ী ফেরার কথা থাকলেও এখানে তেমনটা দেখা যায় না।

বরং গ্রামের নিরিহ গরীব রুগীরা আসলেই তাদেরকে বিভিন্ন ক্লিনিক বা বরিশাল হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। যা শুধুমাত্র কতৃপক্ষের অবহেলা, এ ছারা ডাঃ সেলিম মাতুব্বর কোন মারামারির রুগী আসলেই তাদেরকে বাধ্যতা মূলক সিটিস্ক্যান করায়।

যা গরীব অসহায় রুগীদের পক্ষে অসম্ভব হলেও করাতে বাধ্য করে। এ ছারা ডাঃ সহ একধরনের অসাধু কর্মচারিরা বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা করাতে বাধ্য করে, বিষয়টি এখনই সমাধান করা নাহলে আগামীতে আরও ক্ষতির সম্মুখীন হবেন খেটে খাওয়া গ্রামের অসহয় দরিদ্র জনগোষ্ঠী।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো