English|Bangla আজ ২৯শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার রাত ২:৫৯
শিরোনাম
খানসামায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারী স্কুলের শিক্ষকরা ইউপি নির্বাচনী প্রচারণায়নওগাঁর রাণীনগরে সাবেক এমপি ইসরাফিলের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করতে নোটিশঝালকাঠিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটার উদ্বোধনবকশীগঞ্জে একাধিক মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগবালিজুড়ী ইউপি নির্বাচনে আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফকরুল ইসলামের মনোনয়ন পত্র জমামুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার ১৩ বছর আজ। পাকিস্তান দূতাবাসের সামনে মানববন্ধন।তৃতীয় দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়ের পথে লাঙ্গল প্রার্থীরাঝালকাঠিতে প্রেসক্লাবের আয়োজনে “গল্পে গল্পে শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধ” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিতঝালকাঠিতে স্বপ্নের আলো ফাউন্ডেশন’র এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন বিতরণস্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ডাঃ এম.আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে চিরিরবন্দরে মেডিকেল ক্যাম্প

বাবরি মসজিদ নিয়ে রায়ে বিস্মিত ভারতের সাবেক প্রধান বিচারপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ভারতের বহুল আলোচিত উত্তরপ্রদেশের বাবরি মসজিদ ভূমি মালিকানার রায় ঘোষণা করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেশটির প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, অযোদ্ধার বিতর্কিত রাম মন্দির-বাবরি মসজিদের স্থানে রাম মন্দির নির্মিত হবে; বিকল্প হিসেবে বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য মুসলিম ওয়াকফ বোর্ডকে পাঁচ একর জমি অন্যত্র প্রদান করা হবে।

এদিকে বাবরি মসজিদ নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের রায় নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দেশটির সাবেক বিচারপতি অশোক কুমার গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, ‘রায়েই একটা কথা বলা হয়েছে, যেখানে নামাজ পড়া হয় সেই জায়গাকে মসজিদ হিসেবে অস্বীকার করার উপায় নেই। সেই যুক্তিটাকে মেনে যদি আমরা এগোই, তাহলে দেখতে হবে যে এটা সর্বজন স্বীকুত সত্য, বাবরি মসজিদে নামাজ পড়া হচ্ছিল অনেকদিন ধরে। ১৮৫৬/৫৭ সালে নাও হতে পারে,কিন্তু ১৯৪৯ সাল থেকে বটেই, যবে থেকে আমাদের সংবিধান এসছে তবে থেকে এখানে নামাজ পড়া হচ্ছিল। তাহলে আমাদের সংবিধানে স্বীকৃত যে ধর্মাচরণের স্বাধীনতা আছে, সেটাকে রক্ষা করার অধিকারও সংখ্যালঘু (মুসলিম) সম্প্রদায়ের আছে।’

আজ ৯ নভেম্বর শনিবার বাবরি মসজিদ মামলার রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক সংভাদ চ্যানেল এবিপি আনন্দকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় অশোক কুমার গঙ্গোপাধ্যায় এসব কথা বলেন।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক এই বিচারপতির মতে, ৩০০ বছর আগের স্থাপনার মালিকানা ঠিক করা সুপ্রিম কোর্টের কাজ নয়। বরং স্বাধীন ভারতের সংবিধানে প্রতিটি মানুষের ধর্মচারনের স্বাধীনতা দেওয়া উচিত।

‘যদি ৩০০ বছর আগের বিচার এখন করা হয়, তাহলে অনেক মন্দির মসজিদ ভাঙা পড়বে,’ উল্লেখ করে ভারতের স্বাধীনতার পরের বিষয় নিয়ে বিচার করার পক্ষে মত দেন অশোক কুমার।

‘আমরা স্পেষ্ট দেখেছি এই মসজিদকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবং সেইটার ব্যাপারে যে মামলা হয়েছিল, সেই ইসমাইল ফারুকির মামলায় তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার বলেছিলেন, এই মসজিদ ধ্বংস করাটা জাতীয় লজ্জার বিষয়। এবং সরকারের শ্বেতপত্রে ওটাকে (বাবরি মসজিদ) ওনারা একটা ৫০০ বছরের সৌধ বলে উল্লেখ করেছিলেন; এবংবলেছিলেন, এটাকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ফলে আমাদের সাংবিধানিক মূল্যবোধও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো,’ বলেন অশোক কুমার।

সাবেক এই বিচারপতি জানান, এই রায়ের ভিত্তি হলো এএসআই (আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া)। সেখানে এএসআই বলেছে, ওই জায়গার নিচে কোনো একটা কাঠামো ছিল। কিন্তু সেই কাঠামো হিন্দুদের বা মন্দিরের কিনা সেটা বলেনি।

‘যেখানে সুপ্রিম কোর্ট বলছে যে, হিন্দুদের যে দাবি সেই দাবির ভিত্তি হচ্ছে বিশ্বাস। তাহলে বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তো কাউকে অগ্রাধিকার দেওয়া যায় না। বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে কি কারো মালিকানা ঠিক করা যায়?,’ বলেন অশোক কুমার গঙ্গোপাধ্যায়।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো