English|Bangla আজ ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:২১
শিরোনাম
গৌরীপুরে আব্দুল রউফের উপর সন্ত্রাসী হামলা৯৯৯ কলে পুলিশের সহযোগীতায় জীবন বাঁচলো সোমার।খানসামার পুরোনো ঐতিহ্যের জয়সঙ্কর জমিদার বাড়িটি এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তেসুন্দরগঞ্জে শিশুকে অপহরণের পর হত্যা মামলার ১০ আসামী খালাসগাইবান্ধা সদর বোয়ালী ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হয়ে বৈঠা ধরতে চান যুবলীগ নেতা তুহিনচাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলছাত্রীর উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় দুই চাচাকে মারধররাণীনগরে ১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বিতরণঘাটাইলে সাংবাদিকদের সাথে ওসি’র মতবিনিময়‌ওয়ার্ড আ. লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী নূর ইসলামঘুমধুম আজুখাইয়ার সাদ্দাম পৌণে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক,পলাতক রফিফ ও সাইফুল

বান্দরবানে টানা বর্ষণে পানিবন্দী মানুষের মাঝে খাবার পৌঁছে দিল সেনাবাহিনী

তপন চক্রবর্তী, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি বর্তমানে চলমান সমুদ্রে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে বান্দরবানের সাংগু নদীতে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি বন্দী হয়ে আটকা পরে হাজার হাজার মানুষ।
গত ২৬ জুলাই থেকে কয়েক দিনের টানা ভারি বর্ষণে বান্দরবান শহরের কালাঘাটা, আর্মি পাড়া, মেম্বার পাড়া, বনানী সমিল, ইসলামপুর, বাসট্যান্ডসহ সাঙ্গু নদী তীরবর্তী এলাকার বাড়ি ঘর এবং দোকানে হাঁটুর উপর হতে কোমর পরিমান পর্যন্ত পানি উঠে যায়।

ভারী বর্ষণে পানি বৃদ্ধি অব্যহত থাকায় জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় দুই হাজারেরও অধিক মানুষ। অন্যান্য স্থানের ন্যায় সদর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া থেকে আগত প্রায় ২৫০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে।

শনিবার ( ৩১ জুলাই) দুপুরে বান্দরবান সেনা জোনের সেনাসদস্যগণ বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়া মানুষকে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেন। খাবার প্রদানের সময় বান্দরবান সেনা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আখতার উস সামাদ রাফি, বিএসপি, পিএসসি, এবং জোনাল ষ্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মু. ফারহান ইশরাক চৌধুরীসহ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সেনা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আখতার উস সামাদ রাফি, বিএসপি, পিএসসি বলেন, “চলমান এই ভারী বর্ষণে নিজের বাড়ীঘর ছেড়ে আপনারা যে কষ্টে রয়েছেন আমরা তা অনুভব করতে পারছি। চলমান এই পরিস্থিতি কাটিয়ে না ওঠা পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আপনাদের পাশে থাকবে। এসময়ে করোনা পরিস্থিতির কথা সবাইকে মাথায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ সবাইকে পানিবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকার উপদেশ দেন তিনি।” এছাড়া এই মানবিক সহায়তা ভবিষ্যতে ও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

এই দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে এ ধরণের সহযোগীতা পেয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতঙ্গতা প্রকাশ করেন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষ।

অপরদিকে পানির নিচে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় জেলা সদরের সাথে রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আজ সাংগু নদীর পানি কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নয়ন হলেও আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বন্যা ও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে এবং আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থানের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য জেলায় সর্বমোট ১৪০ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো