English|Bangla আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার রাত ৪:৫৯
শিরোনাম
কুড়িগ্রামে দাখিল মাদরাসা ৩৪ বছর আগে এমপিওভুক্ত হলেও ২৫ বছর হতে বেতন বন্ধগোবিন্দগঞ্জ পৌর নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ অনুষ্ঠিতপলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধীদের মাঝে সহায়ক উপকরণ হুইল চেয়ার ও সাদা ছড়ি বিতরণপলাশবাড়ী (ইউসিসিএ) লিঃ এর আয়োজনে ৩৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতচিলমারীতে বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেককে লাঞ্চিত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনচরফ্যাসন পৌর নির্বাচনঃ আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিতসাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মোজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশকুড়িগ্রামে সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধনরংপুরের হারাগাছে আ.লীগের মেয়র প্রার্থীর পথসভা অনুষ্ঠিতনওগাঁয় বাণিজ্যিক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে সৌখিন কবুতরের খামার ॥ সফল হচ্ছেন অনেকেই

বাকেরগঞ্জে শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়ে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীর সন্তান প্রসব

জাকির জমাদ্দার বরিশাল বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ৪র্থ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের পর অন্তসত্ত্বা হওয়ায় তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ দুই প্রতিবেশী এই ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ করেছে ওই স্কুলছাত্রী ও তার মা। গত ১০ ডিসেম্বর রাতে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ভোজমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ওই ছাত্রীকে (১২) শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

শিশুটির মা জানান, প্রায় ৯ মাস আগে তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক তার অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে প্রথম ধর্ষণ করে। অপর এক নারী শিক্ষক এই ধর্ষণে সহায়তা করে। এরপর এই খবর স্থানীয়ভাবে লোকমুখে জানাজানি হলে দুই প্রতিবেশী জুয়েল ও রনি ফাঁকা বাসায় ঢুকে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর নির্যাতিতার মা প্রতিবাদ করে বিচার চাইলে তাকেও মারধর করার অভিযোগ ওঠে ধর্ষণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযুক্তদের দৃস্টান্তমূলক শাস্তি চান।

শের-ই বাংলা মেডিকেলের প্রসূতি বিভাগ-২ এর সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মৃদুলা কর জানান, ওই স্কুলছাত্রীর অপরিণত বয়সে সন্তান জন্ম দেওয়ায় শিশুর জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় গত ২২ আগস্ট নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে ধর্ষণকারী শিক্ষক ও দুই প্রতিবেশীর নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়নি বলে জানায় নির্যাতিতা। এমনকি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেওয়ার আগে ফরিদপুর ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান, স্থানীয় প্রভাবশালী এবং স্কুলের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের নাম বলতে নিষেধ করে। প্রধান শিক্ষকের নাম বললে সে কোনও বিচার পাবে না এবং লোকে তাকেই বরং খারাপ জানবে বলে তাকে ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগ করেন স্কুলছাত্রীটি। এ দিকে দায়সারা তদন্ত শেষে পুলিশ ওই মামলায় জুয়েল নামে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ওই মামলায় বর্তমানে জুয়েল কারাগারে রয়েছে।

এ বিষয় বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম জানান, ‘২২ আগস্ট শিশুটির মা বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় জুয়েল নামের একজন কে আসামী করে মামলা দায়ের করলে জুয়েল আটক করে জেলা হাজতে প্রারণ করি। বর্তমানে জুয়েল জেলা হাজতে আছে। তবে নতুন করে কাউকে অভিযুক্ত করে মামলা করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।’

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো