English|Bangla আজ ২৫শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার সকাল ৬:৪২
শিরোনাম
গ্রামীণ ব্যাংক সাপাহার শাখায়  শিক্ষা বৃত্তি ও গাছের চারা বিতরণতানোর থানার তৎপরতায় আইন-শৃঙ্খলার উন্নতিপিকআপভ্যান-অটোরিকশার সংঘর্ষে মা নিহত, ছেলেসহ আহত ৪উলিপুরে পুলিশের ভয়ে ১০মাস পালিয়ে থাকা হত্যা মামলার আসামী আটকগাইবান্ধায় করোনা আক্রান্ত বেড়ে ১ হাজার ৯২৪, নতুন শনাক্ত ১৯গোবিন্দগঞ্জ প্রেস ক্লাবের ৫৩ সদস্য বিশিষ্ট দ্বিবার্ষিক পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষিতপলাশবাড়ীতে পানিতে ডুবে এক শিক্ষার্থী’র মৃত্যুভালুকায় সুদের টাকার চাপে আদিবাসী বিষপানে আত্মহত্যাপলাশবাড়ীতে আওয়ামীলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিতনান্দাইলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘জাস্ট ম্যারিড’গ্লোবাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

বাকেরগঞ্জে জাল সনদে বিদ্যালয়ে চাকরি

জাকির জমাদ্দার বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বাকেরগঞ্জে নিয়ামতি ইউনিয়নের চামটা কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরী ইউসুফ আলী খানের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, তিনি ওই বিদ্যালয় থেকেই অষ্টম শ্রেণির একটি জাল সনদ তৈরী করে ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ তারিখে নৈশ প্রহরী হিসেবে নিয়োগ নেন।

অষ্টম শ্রেণির সনদে তার জন্ম তারিখ ০২ এপ্রিল ১৯৭১ সন, কিন্তু তার জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্ম তারিখ ১২ এপ্রিল ১৯৭৭। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তিনি দুটি জন্ম তারিখ ব্যবহার করেছেন। ইউসুফ আলী খান এমন জালিয়াতি করেও ক্ষ্যান্ত হননি। তিনি চামটা কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চাকরিরত থাকা অবস্থায় ওই বিদ্যালয়ে নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ভর্তি হয়ে ১৯৯২ সালে এস.এস.সি পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হন।

১৯৯৩ সালে পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে কৃতকার্য হন। দেখা যায়, ইউসুফ আলী খান ওই বিদ্যালয়ে চাকরিও করেন, লেখা-পড়াও করেন এবং সরকারি বেতন ভাতাও উত্তোলন করছেন। বর্তমানে ইউসুফ তার জালিয়াতি ধামাচাপা দিতে ওই বিদ্যালয়ে অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি নিতে মরিয়া হয়ে উঠছে।

আরও জানা যায়, ইউসুফের জালিয়াতির বিরুদ্ধে একই এলাকার বাসীন্দা মরিয়ম বেগম বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার মোঃ আকমল হোসেনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ইউসুফের জালিয়াতির বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান অভিযোগ গুলি অক্ষপটে স্বীকার করেন এবং বলেন এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কমিটির সদস্যদ্বয় সিদ্ধান্ত নিবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার মোঃ আকমল হোসেনের জানান, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। তারা ব্যার্থ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন করা, ভুয়া বা জাল কাগজপত্র দাখিল, প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও আবেদনপত্র প্রেরণ করার কারণে বেতন-ভাতাদি’র সরকারি অংশ ছাড়করণে অনিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/শিক্ষক-কর্মচারী/প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি-গভর্নিং বডি দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো