1. admin@bsalnewsonline.com : admin :
  2. editor@dailyekattorjournal.com : জাকির আহমেদ : জাকির আহমেদ
  3. zakirahmed0112@gmail.com : Zakir Ahmed : Zakir Ahmed
  4. marcia-tedbury18@lostfilmhd720.ru : marciatedbury :
  5. rayhanchowdhury842@gmail.com : Rayhan :
  6. m.r.rony.007@gmail.com : rony : MahamudurRahm Rahman
April 19, 2021, 1:01 pm

প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার মা হওয়া ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীর পাশে জেলা প্রশাসক

  • Update Time : Sunday, December 15, 2019
  • 0 Time View

জাকির জমাদ্দার (বরিশাল) বাকেরগঞ্জঃ

শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিজারের মাধ্যমে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেছে। শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষনে অন্তসত্ত্বা চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রীকে দেখতে এবং তার খোঁজ খবর নিতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক বরিশাল এস, এম, অজিয়র রহমান।

এসময় তিনি মেয়েটির চিকিৎসার খোঁজখবর নেন তাকে সব ধরনের সহায়তায় আশ্বাস দেয়ার পাশাপাশি তার চিকিৎসার জন্য নগদ ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক বরিশাল এস,এম, অজিয়র রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরিশাল রাজিব আহমেদ, উপ-পরিচালনা শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতাল ডাঃ আবদুর রাজ্জাক, প্রাবেশন অফিসার জেলা প্রশাসক কার্যালয় বরিশাল সাজ্জাদ পারভেজসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে দুপুর ১২ টার দিকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের ওটিতে সিজারের মাধ্যমে কন্যা সন্তান প্রসব করে ওই শিশু। চিকিৎসক জানান,শিশু এবং তার মা দুজনেই ঝুঁকিতে রয়েছে। শিশুটিকে নিবির পর্যবেক্ষন কেন্দ্রে রাখা হচ্ছে। আর শিশু মায়ের চিকিৎসায় জন্য নেয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৪নং ফরিদপুর ইউনিয়নের ভোজমাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী ধর্ষনের কারনে অন্তসত্ত্বা হয়ে পরায় ১০ ডিসেম্বর শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় মামলা হলেও স্থানীয়দের চাপে প্রকৃত দোষীদের আসামী করা যায়নি বলে অভিযোগ নির্যাতিতার।

স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ দুই প্রতিবেশী এই ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ করেছে ওই স্কুলছাত্রী ও তার মা। গত ১০ ডিসেম্বর রাতে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ভোজমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ওই ছাত্রীকে (১২) শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি করা হয়। শিশুটির মা জানান, প্রায় ৯ মাস আগে তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক তার অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে প্রথম ধর্ষণ করে। অপর এক নারী শিক্ষক এই ধর্ষণে সহায়তা করে।

এরপর এই খবর স্থানীয়ভাবে লোকমুখে জানাজানি হলে দুই প্রতিবেশী জুয়েল ও রনি ফাঁকা বাসায় ঢুকে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর নির্যাতিতার মা প্রতিবাদ করে বিচার চাইলে তাকেও মারধর করার অভিযোগ ওঠে ধর্ষণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযুক্তদের দৃস্টান্তমূলক শাস্তি চান। শের-ই বাংলা মেডিকেলের প্রসূতি বিভাগ-২ এর সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মৃদুলা কর জানান, ওই স্কুলছাত্রীর অপরিণত বয়সে সন্তান জন্ম দেওয়ায় শিশুর জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় গত ২২ আগস্ট নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে ধর্ষণকারী শিক্ষক ও দুই প্রতিবেশীর নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়নি বলে জানায় নির্যাতিতা। এমনকি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেওয়ার আগে ফরিদপুর ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান, স্থানীয় প্রভাবশালী এবং স্কুলের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের নাম বলতে নিষেধ করে।

প্রধান শিক্ষকের নাম বললে সে কোনও বিচার পাবে না এবং লোকে তাকেই বরং খারাপ জানবে বলে তাকে ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগ করেন স্কুলছাত্রীটি। এ দিকে দায়সারা তদন্ত শেষে পুলিশ ওই মামলায় জুয়েল নামে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ওই মামলায় বর্তমানে জুয়েল কারাগারে রয়েছে।

এ বিষয় বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম জানান, ‘২২ আগস্ট শিশুটির মা বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় জুয়েল নামের একজন কে আসামী করে মামলা দায়ের করলে জুয়েল আটক করে জেলা হাজতে প্রারণ করি। বর্তমানে জুয়েল জেলা হাজতে আছে। তবে নতুন করে কাউকে অভিযুক্ত করে মামলা করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।’

ছবি ০০১ বাকেরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার মা হওয়া ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে হাসপাতালে দেখতে এলেন জেলা প্রশাসক এস,এম,অজিয়র রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category