English|Bangla আজ ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার রাত ৪:২৯
শিরোনাম
গাজীপুরের শ্রীপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের হাতে মা খুন।রায়পুরে রাজকীয়ভাবে পুলিশ সদস্যের বিদায় !কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে যুবলীগ নেতার অর্থায়নে শীত বস্ত্র বিতরণইএইচডি প্রকল্পের পক্ষ থেকে বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস উদযাপনজনগন ধরে দিলেন মুনা হত্যা মামলার প্রধান আসামী মাদকাসক্ত ফুয়াদ গ্রেফতারশ্রীমঙ্গলে বলৎকারের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কারমোংলা পোর্ট পৌরসভায় নির্বাচনী হাওয়ামুরাদনগরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগনান্দাইলে রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রী রাখায় ২ জনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানানান্দাইলে মাস্ক না পরায় ২০ জনকে ৭হাজার ২শত টাকা জরিমানা

প্রকৃতিপ্রেমী সৃজনশীল মননের মানুষ ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌসের কাজে তারাকান্দাবাসী প্রশংসায় পঞ্চমুখ

স্টাফ রিপোর্টার : নীহার বকুল

 পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখি শিকার হতে  বিরত থাকতে আইন হয়েছে কিন্তু যথাযথ আইনি প্রয়োগ না থাকায় দেশিয় ও পরিযায়ী পাখি আজ বিপন্ন হতে চলেছে। পরিবেশ অধিদপ্তর বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে কালেভদ্রে তদারকি করলেও কাজের কাজ হচ্ছে না কিছুই।পাখি শিকার মানেই নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা আর নৃশংসতা।

গতকাল কামারগাঁও ইউনিয়নের জনদূর্ভোগ সহ নানান বিষয় পরিদর্শন করে অফিসে ফেরার পথে রাস্তায় এক পাখি শিকারীর দেখা পেয়ে যান ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস,তিনি দেখেন এক পাখি শিকারির হাতে অনেকগুলো দেশিয় প্রজাতির বক পাখি।তাৎক্ষণিক পাখি শিকারিকে ধরে এনে প্রকৃতি ও জীবন সেই সাথে ইকো সিস্টেম সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝিয়ে এমনটি আর ভবিষ্যতে করবেন না বলে সে মৌখিক মুচলেকা নিয়ে বকপাখি গুলো মুক্ত আকাশে উড়িয়ে দেন সদাশয় জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তারাকান্দা, ময়মনসিংহ।

প্রাকৃতিক পাখি শিকার দন্ডনীয় অপরাধ, মুক্ত হয়ে পাখি গুলো যখন নীলআকাশে উড়ছিল সে দৃশ্যটি  ছিলো বড়ই মনোরম বড্ড মনোহর।তারাকান্দায় মানুষের দূর্ভোগ লাগবে ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জান্নাতুল ফেরদৌসের দিনরাত ছুটে চলাকে তারাকান্দা উপজেলার সবাই খুবই প্রশংসনীয় উদ্দ্যোগ বলে মন হতে গ্রহণ করেছেন। এমন দেশ ও জনবান্ধব কর্মকর্তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ উপজেলাবাসি। সকলের সহযোগিতা নিয়ে তারাকান্দা উপজেলার নাম সারাদেশব্যাপি ছড়িয়ে যাবে এমনটিই আশা করেন সবাই।           

পাখি,সৌন্দর্যই শুধু নয়, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যেও পাখিদের বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজন আছে। পাখি হলো প্রকৃতির কীটনাশক। পাখির সংখ্যা কমে গেলে কীটপতঙ্গের অত্যাচারে অসম্ভব হয়ে পড়বে ফসল ফলানো,খাদ্যসংকট দেখা দেবে সারা দেশে। সেটিই যদি হয়, তাহলে নির্ভর করতেই হবে কীটনাশকের উপর। কিন্তু এটি তো পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই ক্ষতিকর। কাজেই পাখি ঘাটতি অবশ্যই মারাত্মক উদ্বেগের ব্যাপার। যে পাখি নিসর্গকে এতো সুন্দর করে, চোখকে এতো প্রশান্তি দেয়, সৌন্দর্য চেতনাকে এতো আলোড়িত করে, নিরীহ সে পাখির প্রাণ নেওয়াতে কী এতো সুখ মানুষের? তাই আসুন নিজের তাগিদেই আমরা প্রকৃতিকে বাঁচাই পাখি শিকার বন্ধ করতে কাজ করি।    

প্রতি বছরই পরিযায়ী পাখি আসে। ঝাঁকে ঝাঁকে। নানা রং আর আকৃতির সেসব পাখির আগমনে মুখরিত হয় নদীপাড়, বিল-ঝিল, বন-বাদাড় সব।  শুভ্র আকাশে, সিগ্ধ বাতাসে ওরা মেলে ধরে তাদের ডানা বংশ বৃদ্ধি করে।

পাখিরা আসুক। ওদের কলকাকলীতে ভরে উঠুক আমাদের চারপাশের প্রকৃতি।পৃথিবী চলতে থাক আপন গতিতে আপন মহিমা।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো