English|Bangla আজ ২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার সকাল ৬:১২
শিরোনাম
লক্ষ্মীপুর-২ সংসদ উপনির্বাচন: নৌকার প্রার্থীর বিজয়পত্নীতলায় সরকারি নির্দেশনা না মানায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানাপলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণনরসিংদীতে পলাশের ডাংগা ইউনিয়নে আ.লীগ প্রার্থী ও গজারিয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়লাভতাহিরপুর অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায় এক লক্ষ টাকা জরিমানাসিএমপি’র স্কুল এন্ড কলেজকে নিটল মটরস লিমিটেড কর্তৃক ০১টি পরিবহন বাসের চাবি সিএমপি পুলিশ কমিশনার মহোদয়কে হস্তান্তর অনুষ্ঠানকুমিল্লা সদরের উঃকালিয়াজুরী কোড়ের পাড়ের রাস্তাটি আবাও দখল মুক্তদাউদকান্দিতে স্বামীকে ভিডিও কলে রেখে স্ত্রী’র আত্মহত্যা!একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই খোঁচ্ছে রোকিয়ারায়পুরে পুকুরে ডুবে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

নরসিংদীর ঘোড়াশালে ঈদের তৃতীয় দিনেও কমছেনা দর্শনার্থীদের ভীর

বোরহান মেহেদী

ঈদুল ফেতরের তৃতীয় দিন। এখনো ঈদের আনন্দ ভ্রমন যেন থামছেনা। ঈদ আনন্দ উদযাপনে অসংখ্য মানুষ রবিবার বিকালেও নরসিংদীর ঘোড়াশাল রেলওয়ের ফ্ল্যাগ স্টেশনে কিছুটা ভিন্ন মাত্রায় সময় কাটানোর জন্য ভীর জমিয়েছেন। এসময় করোনা আক্রান্ত ঝুকি থাকা নিয়ে বিনোদনপ্রমিদের মাঝে কোন উদ্বিগ্নতা লক্ষ করা যায়নি। বৈশ্বিক করোনার আতংকে দেশের মানুষ একটি বছর ঘরবন্দি থেকে জীবন জিবীকা নিয়ে মানসিক অবসাদে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এর মাঝে মাহে রমাদান এর রোজা রেখেও একগুয়েমিতে অবসন্নতায় ভুগছে তারা। এমনি জীবন আবদ্ধতা থেকে বেড়িয়ে একটু আনন্দঘণ উৎফুল্লতায় জড়াতেই ঈদ উৎসবে বেড়িয়ে এসছেন এখানে। নরসিংদী জেলায় মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র বলতে কোথাও কোন চিহ্ন নেই। পাঁচদোনায় ড্রিম হলিডে পার্ক একটি অর্থ বিনিময় বিনোদন রিসোর্ট রয়েছে। তাতে কেউ ডুকতে চাই নীচের পক্ষে ১ হাজার টাকা প্রয়োজন। গেট ফি বিভিন্ন রাইড চড়লে কেবল খরচই খরচ। তাতে একটি পুরো পরিবার গেলে পকেটে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার প্রয়োজন। ফলে জেলার বিনোদন পিয়াসীগন বেছে নেন মুক্ত ভ্রমন জায়গা। আর এতেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নরসিংদীর শেখ হাসিনা সেতু, চরসিংন্দুর শীতলক্ষা ব্রিজ এবং ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেল স্টেশন। ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশনের বিশেষত্ব হচ্ছে পশ্চিম দিকে রয়েছে রেলে জোড়া সেতু। দক্ষিনে আবার রয়েছে রোডস এন্ড হাওয়াইয়ের ব্রিজ। পুর্বে অপর প্রান্তে আরো একটি স্টেশন। এখানে ভ্রমন পিপাসুদের বেশি আকর্ষণ হচ্ছে রেলের নতুন চায়না ব্রিজ। দর্শনার্থীরা ভির করে নতুন ব্রিজেই বেশী। ঈদের প্রথম দিন বিকল থেকেই হাজারো মানুষ এখানে আসছে, ক্ষানিক ঘুরে ফিরে আবার বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। ঈদ পরবর্তী এই আনন্দ ভ্রমনে শিশু কিশোর, যুবক যুবতি ও পুরো পরিবার মিলে সবাই ফুর্তি করতে ছুটে আসছেন এখানে। ছবি তোলা ও সেলফির ঝলকে চারিদিক আলোকিত হচ্ছে এসময়। সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীদের জন্য মুখরোচক খাবার পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানীরা। এর মধ্যে চটপটির দোকানই বেশী। আছে বিনোদনের ঘোড়ার চড়ার ব্যবস্হা। আছে ফুটকা ফুটন এর ব্যবস্হাও। এখানে বেড়াতে আসা খলাপাড়ার জসিম মিয়া বলেন, পলাশ ও কালিগঞ্জের নদী পারবর্তী বাসীদের বিনোদনের জন্য কোথাও একটু ঘুড়ে বেড়ানোর জায়গা নেই। নাই সামান্য সময় বসার মুক্তস্হান। তাই আমরা শীতলক্ষার দুই পাড়ের মানুষ এর যে কোন উৎসব পরবর্তিতে এখানে ছুটে আসা ছাড়া বিকল্প জায়গা নাই। তা ছাড়া বর্তমানে স্টেশনের সিঁড়ি ও নীচ এলেকার সৌন্দয্য বৃদ্ধি কারনেও এই জায়গাটি সুন্দর ও সবার প্রিয় হয়ে উঠেছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো