English|Bangla আজ ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার সকাল ৮:২৩
শিরোনাম
বান্দরবানে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধারপাটগ্রাম প্রেসক্লাবে উপহার সামগ্রী প্রদান“বিসকা ইউনিয়নের ১ ইঞ্চি রাস্তাও কাঁচা থাকবেনা”রাস্তা উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে বললেন বাবুল মিয়া সরকার।পলাশবাড়ীতে ডায়াবেটিকস সমিতির ওয়াশরুম উদ্বোধনখানসামায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করায় আনন্দ মিছিলনওগাঁর রাণীনগরে সিআইজি খামারী প্রশিক্ষণচাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ২ কেজি হেরোইনসহ এক জন আটকছয়সূতী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উজ্জ্বল ভূয়া’র মোটরসাইকেল শোডাউনকুলিয়ারচরে সমাজ সেবক উজ্জ্বল ভূয়া’র পৃষ্ঠপোষকতায় ফ্রিজকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিতসাপাহারে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং অগ্রগতি বিষয়ক মতবিনিময় সভা

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর কপালে জুটেনি ভাতা চলছে সংসার বারভাজা বিক্রিতে

মো: সবুজ ইসলাম, রাণীশংকৈল প্রতিনিধিঃ-

জন্মগত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি বিবাহিত যুবক ২ সন্তানের জনক আশাদুল । ৩৩ বছরের এই যুবকের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি কার্ড জুটলেও কপালে জুটেনি প্রতিবন্ধি ভাতা। স্ত্রী আর ২ সন্তান নিয়ে এই প্রতিবন্ধি যুবকের সংসার চলে বারভাজা বিক্রি করে। আর কত বছর পেরিয়ে গেলেও এই যুবক কবে পাবে প্রতিবন্ধি ভাতা এমন প্রশ্ন স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরশহরের ৯ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা মো: শাহজাহান এর দ্বিতীয় সন্তান জন্মগত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি আশাদুল(৩৩) । সম্প্রতি পৌরশহরের ৯ নং ওয়ার্ডের মহলবাড়ি এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দুটি টিনের ঘরে বসবাস আশাদুলের ।

কথা হয় আশাদুলের সাথে তিনি জানান,তার বিয়ে হয় প্রায় ১২ বছর আগে। তার এই ১২ বছরের বিবাহিত জীবনে তার রয়েছে ২ ছেলে সন্তান । তার বড় ছেলে পড়ছে একটি মাদ্রাসায় আর ১টি পড়ছে স্থানীয় প্রাইমারি স্কুলে। আশাদুলের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা কার্ডে দেখা যায় তার জন্মসাল ৮ অক্টোবর ১৯৮৬। আর তার প্রতিবন্ধির কার্ড ইস্যু হয় ২৭ মে ২০১৬ সালে।

আশাদুলের স্ত্রী জানান, তার স্বামী হাফ কিলোমিটারের মধ্যে ভ্যান গাড়িতে বারভাজা বিক্রি করেন। বাড়ি থেকে হাফ কিলোমিটারের মধ্যে ভ্যান গাড়ি নিয়ে পরিবারের সদস্য এবং আইডিয়ার উপরে চলাচল করে এই ব্যবসা করে । এতে যা আয় হয় তাতে ছেলেদের পড়াশোনা হয় তাদের সংসার চলে। তার স্ত্রী আরোও বলেন বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধিদের অনেক সুবিধা দিলেও আমরা সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

আশাদুলের মা বলেন ,আমরা গরিব বলে টাকা দিতে পারছিনা ।টাকা না দেওয়ার কারণে আমার ছেলের কপালে প্রতিবন্ধির ভাতা এখনোও জুটছেনা ।

বারভাজা বিক্রেতা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি আশাদুল জানান ,প্রতিবন্ধি কার্ড নিয়ে অনেক নেতার কাছে এমনকি সমাজ সেবা অফিসেও গেছি এবং কাগজপত্রও জমা করেছি কোনো কাজ হয়নি । নাম প্রকাশ না করার শর্তে আশাদুল বলেন স্থানীয় এক নেতা কাছে ভাতার কার্ড নিতে গেলে সে নেতা আমার কাছে ১৪শত টাকা নেয় এতে কাজ হয়নি পরবর্তীতে আবার সেই নেতার কাছে গেলে আরও ৩ হাজার টাকা দাবি করে এবং বলে এই ৩ হাজার টাকা দিলে তোমার কার্ড হবে না দিলে হবে না।

এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, এবারে সে যাচাই-বাছায়ে এটেন্ট করলে সিরিয়ালে এবারে চলে আসতো । যাচাই- বাছায়ে থাকলে আমরা এবারেই দিয়ে দিতাম।

কাগজপত্র নিয়ে আমার অফিসে নিয়ে আসতে বলেন। আমি ব্যবস্থা করে দিব।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো