English|Bangla আজ ৪ঠা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার রাত ১২:১৪
শিরোনাম
ভালুকায় আতংকে আছে নাজমার পরিবারকুড়িগ্রামে গাছের ডাল পড়ে প্রান গেল কাঠঁ ব্যবসায়ীরনাচনাপাড়ায় বাস্তবে একটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা থাকলেও একই নামে কাগজ-কলমে দেখানো হচ্ছে দুটি।পত্নীতলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শিশু খাদ্য বিতরণসাপাহারে ভুয়া কবিরাজের চিকিৎসায় হাত হারাতে বসেছে সাত বছরের শিশু!পলাশবাড়ীতে জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিতনাগেশ্বরী কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন মোহাম্মদ অাব্দুল অাউয়ালকুড়িগ্রামে মোবাইলে অনলাইনে গেম খেলায় ১১ শিক্ষার্থী আটক- মুচলেকায় অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরডিসিসিআই’র আয়োজনে ” সাস্টেইনএবল রিভার ড্রেজিং: চ‍্যালেঞ্জেস এন্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড ” শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভায় নৌ প্রতিমন্ত্রীখানসামায় লকডাউন বাস্তবায়নে চলছে এসিল্যান্ড এর বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ অভিযান

দুই মন্ত্রনালয়ের রশি টানাটানিতে হচ্ছেনা লালুয়া ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ।

মোঃপারভেজ কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ৩ নং লালুয়া ইউনিয়নের বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধের নির্মান কাজ দীর্ঘ একযুগ ধরে দুই মন্ত্রনালয়ের চিঠি বদলেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। ফলে আজও ভোগান্তি পোহাচ্ছে ওই ইউনিয়নের ৮ গ্রামের প্রায় দশ হাজার বানভাসি মানুষ।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর দুর্ভোগ কবে নাগাদ শেষ হবে এমন কোন সিন্ধান্ত জানাতে পারছেন না সংশ্লিস্ট কতৃপক্ষ।কলাপাড়া পাউবো সূত্রে জানা যায়, প্রলয়ংকরি ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় লালুয়া ইউনিয়নের ৪৭/৫ পোল্ডারের সাত কিলোমিটার বেড়িবাধ বিধ্বস্ত হয়ে যায়।

পরে ২০১১-১২ অর্থ বছরে এমারজেন্সি সাইক্লোন রিও রিয়োশেন প্রজেক্টের (ইসিআরপি) আওতায় বাঁধটি নির্মান করা হয়। তবে রাবনাবাদ নদীর করাল গ্রাসে পুরো বাঁধটিই ধীরে ধীরে ভেঙে বিলীন হয়ে যায়। শেষ ২০১৫ সালে এমারজেন্সি বাঁধ নির্মান করে পাউবো।

তাও টেকসই না হওয়ায় আবারও ভেঙে যায় বাঁধটি। তবে এ বেরিবাধটি নির্মানের ব্যাপারে নৌ পরিবহন ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মধ্যে কয়েকবার চিঠি চালাচালি হয়েছে।

এখন পর্যন্ত কোন ফলপ্রসূ হয়নি।সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়,জোয়ারের পানির উচ্চতা বাড়লেই প্রতিনিয়নত ভাঙা বেড়িবাধ দিয়ে পানি প্রবেশের ফলে তলিয়ে যায় গ্রামের পর গ্রাম। ঘূর্নিঝড় বুলবুলের প্রভাবে গত শনি ও রোববারের দু’দফা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

এ ইউনিয়নের অন্তত ১০ টি গ্রাম।অস্বাভাবিক জোয়ারের চাপে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এখানকার মানুষের।ভেঙে গেছে বেশ কিছু বাড়ি-ঘর। সিড়রের পরে যে কয়টি ঘূর্নিঝড় হয়েছে প্রত্যেক বারই ক্ষতিগ্রস্থ শীর্ষ তালিকায় এ এলাকার মানুষ।বর্তমানে নতুন কোন ঘূর্নিঝড়েরর শংকায় দিনাতিপাত করছে বানভাসি এ বাসিন্দরা।

দীর্ঘদিন ধরে এমন ভয়াবহ অবস্থা চলমান থাকলেও বেড়িবাধ করার উদ্যোগ নিচ্ছেনা কেউ।লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন,পানি সম্পদ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের রশি টানাটানিতে বাধঁটি হচ্ছেনা। ‘বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানি উঠছে আর নামছে। যার কারণে মানুষের ক্ষতির পরিমানটা দিন দিন বাড়ছে। দ্রুত গতিতে বাঁধটা নির্মানের দাবি জানাচ্ছি।

কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওলিউজ্জামান জানান,ক্ষতিগ্রস্থ বেরিবাধ এলাকায় অধিগ্রহনকৃত পানি উন্নয়ন বোর্ডের সব জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সাধারন মানুষের যে জমি আছে সেগুলো পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহন করেছে।

তাই বাধ নির্মানে পানি উন্নয়ন বোর্ড কোন পদক্ষেপ নিতে পারছেনা।পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি অধিগ্রহনের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে এখনও পানি উন্নয়ন বোর্ড জমি বুঝিয়ে দেয়নি।

তবে জমি অধিগ্রহনের ব্যাপারে দুই মন্ত্রনালয়ের মধ্যে প্রসেসিং চলছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো