English|Bangla আজ ৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার রাত ৮:৩২
শিরোনাম
সাপাহারে মিশ্র বাগান করে কোটিপতি কৃষক সাখাওয়াত হাবীব!নান্দাইলে মাঠ দিবস ও রিভিউ ডিসকাশনবান্দরবানে সারাদেশে সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন ও নিপিড়ন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনপুলিশ লাইনস্ নরসিংদীতে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতরাণীনগরে প্রতিবন্ধির জমি লিখে নেয়ার অভিযোগ বোনের বিরুদ্ধেদিনাজপুর পৌরসভা কাউন্সিলর জনকল্যাণ সংস্থা কর্তৃক নবাগত জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদানদৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ঢাবি শিক্ষার্থীকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানরায়পুরে ঝুকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো পারাপারে আহত-২০: ব্যবসায়ী মৃত্যুশয্যায়নরসিংদীতে গণধর্ষণের প্রধান আসামি আরিফ গ্রেফতার।সাংবাদিক মোজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে দেবীদ্বার সাংবাদ কর্মীদের কর্ম বিরতি

ঠাকুরগাঁওয়ে পঞ্জিকা ও ঝার ফুঁকর নামে প্রতারক চক্র হাতিয় নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়ায় পঞ্জিকা দেখার নামে ঝার ফুঁক করে একটি প্রতারক চক্র হাতিয় নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ফলে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা থেকে দূরে সরে গিয়ে মানুষ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে ঝার ফুঁকের উপর।

এমন পদ্ধতিত চিকিৎসা চলছে রুহিয়া থানার রাজাগাঁও ইউনিয়নের পাটিয়াডাঙ্গী দক্ষিণ বঠিনা গ্রামের পাঞ্জিয়ার পাড়ায়। সরেজমিনে কথা হয় নরশে মালাকার নাম এক পাঞ্জিয়ারের সাথে। সে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে এই তন্ত্র মন্ত্রের উপর নির্ভর করে মানুষকে প্রতারিত করে আসছে।

ভুক্ত ভোগী রুহিয়ার জাহাঙ্গীর, আসাননগরের ইব্রাহীম, মধুপুরের আনােয়ার এই প্রতিবেদকে জানান, আমরা শিক্ষিত মানুষ হয়েও নিরক্ষর নরশে পাঞ্জিয়ারের কাছে প্রতারিত হয়েছি এবং কি আমাদের কাছে চিকিৎসার নামে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

শুধু নরশে পাঞ্জিয়ারই নয় এরকম প্রায় ২০ জন পাঞ্জিয়ারের খোঁজ মিলছে ঐ এলাকায়। এর মধ্যে নরশে সহ তার সহযােগী আত্মীয় ফনিক, সুনিল অন্যতম। তারা সকলেই প্রশাসনের চােখকে ফাকি দিয়ে চেম্বার খুলে বসেছে, তাদের নেই কোন চিকিৎসার সনদ, অভিজ্ঞতা এবং কি লাইসেন্স।

আর দূরদূরান্ত থেকে রােগীরা এসে পঞ্জিকা দেখতে চাইলে পঞ্জিকা দেখার নামে সহজ সরল রােগীদর মনের ভিতর এক প্রকার ভীতির সঞ্চার করে তাদেরকে দেওয়া হয় পানি পাড়া, তাবিজ, জরিবটি ও সর্বপরি ঝার ফুঁক তাে রয়েছেই। এর মাধ্যমে হাদিয়া/ নজরানা হিসেবে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। শনিবার ও মঙ্গলবার সপ্তাহে দুই দিন চলে তাদের এই জমজমাট ব্যবসা।

এছাড়া অন্য দিন গুলাতে চলে পঞ্জিকা দেখার ব্যবসা। যার ভিজিট নেওয়া হয় ৩১ থেকে ৫১ টাকা। এব্যাপারে জানতে চাইলে নরশে মালাকার জানায়, আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে এই চিকিৎসা চালাচ্ছি। কেউ কােনদিন অভিযােগ করেনি। এতে কারো উপকার হয়, কারাে নাও হত পারে।

এ বিষয়ে রুহিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক সিদ্দিক বলেন, অভিযােগ মােতাবেক প্রয়ােজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রংপুর বিভাগীয় সহকারী পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. এম এন আজিজ (চপল) মোবাইল ফোন বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞান এর কোন ভিত্তি নেই। আমরা অনতিবিলম্বে সেখানে মেডিকেল টিম পাঠাবো।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন মোবাইল ফোনে জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনার মাধ্যমে অবগত হলাম বিষয়টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো