English|Bangla আজ ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:৫৯
শিরোনাম
উখিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কমরুদ্দিন মুকুলের বিবৃতিনওগাঁয় মানবাধিকার  ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণসাপাহারে বরেন্দ্র বাতিঘর পাঠাগারের শুভ উদ্বোধনগৌরীপুরে আব্দুল রউফের উপর সন্ত্রাসী হামলা৯৯৯ কলে পুলিশের সহযোগীতায় জীবন বাঁচলো সোমার।খানসামার পুরোনো ঐতিহ্যের জয়সঙ্কর জমিদার বাড়িটি এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তেসুন্দরগঞ্জে শিশুকে অপহরণের পর হত্যা মামলার ১০ আসামী খালাসগাইবান্ধা সদর বোয়ালী ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হয়ে বৈঠা ধরতে চান যুবলীগ নেতা তুহিনচাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলছাত্রীর উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় দুই চাচাকে মারধররাণীনগরে ১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বিতরণ

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদের শেরশাহ এলাকায় ছুরিঘাতে যুবক খুন

আল আমিন চট্রগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

বছরের শেষদিনে নগরের বায়েজিদের শেরশাহ এলাকায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে রিপন নামে একজন খুন হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করলেও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহেদ ইকবাল বাবু বলছেন ভিন্ন কথা। উল্টো ঘটনার জন্য তিনি দুষলেন পুলিশকে।

কমিশনার ইকবাল বাবু অভিযোগ করে বলেন, রিপন এলাকায় একটি চটপটির দোকান চালাতো। প্রায় সময় দিদার-জসিম গ্রুপ রিপনের কাছে চাঁদা চাইতো। চাঁদা না দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দিতো। গত ৫ ডিসেম্বর পুনরায় চাঁদা দাবি করলে রিপন দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা রিপনকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

পরে রিপন বায়েজিদ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। এতে করে মহিউদ্দিন-দিদার গ্রুপ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু বায়েজিদ থানা পুলিশ তখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রিটন সরকার জানান, যে নিহত হয়েছে খুব সাধারণ পরিবারের ছেলে।

শেরশাহ এলাকায় অধিপত্য বিস্তারের ঘটনা দীর্ঘদিনের। মূলত ওই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় আনোয়ার নামে একজনের সঙ্গে রিপনসহ কয়েকজন মেজবানি খেয়ে ফেরার পথে হামলার শিকার হন। নিহত রিপন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহেদ ইকবাল বাবুর অনুসারী। হামলার নেতৃত্বে ছিলো শেরশাহ এলাকার এমদাদুল হক।

এই ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
তবে স্থানীয় ওর্য়াড কাউন্সিলর শাহেদ ইকবাল বাবু জানান, রিপন আমার বাসা থেকে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ৯টার দিকে বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পথে শেরশাহ এলাকার তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সঙ্গে সঙ্গে আমি ওসিকে ফোন করলে ওসি তাৎক্ষনিক পুলিশ পাঠাতে তালবাহানা করে। ঘটনার প্রায় ১ ঘন্টার পর এস আই সাইফুলের নের্তৃত্বে একদল পুলিশ পাঠায়।

ততক্ষণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরনে ঘটনাস্থলেই রিপন মারা যায়। পুলিশ যদি তখনই যেত হয়তো রিপনকে মেডিকেলে নিয়ে চিকিৎসা করা যেতো। কিন্তু পুলিশ সে সহযোগিতা আমাকে করেনি।প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে হামলায় নিহত হন মো. রিপন। তিনি শেরশাহ এলাকার মৃত আমিনের ছেলে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো