English|Bangla আজ ৪ঠা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার রাত ১২:১৭
শিরোনাম
ভালুকায় আতংকে আছে নাজমার পরিবারকুড়িগ্রামে গাছের ডাল পড়ে প্রান গেল কাঠঁ ব্যবসায়ীরনাচনাপাড়ায় বাস্তবে একটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা থাকলেও একই নামে কাগজ-কলমে দেখানো হচ্ছে দুটি।পত্নীতলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শিশু খাদ্য বিতরণসাপাহারে ভুয়া কবিরাজের চিকিৎসায় হাত হারাতে বসেছে সাত বছরের শিশু!পলাশবাড়ীতে জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিতনাগেশ্বরী কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন মোহাম্মদ অাব্দুল অাউয়ালকুড়িগ্রামে মোবাইলে অনলাইনে গেম খেলায় ১১ শিক্ষার্থী আটক- মুচলেকায় অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরডিসিসিআই’র আয়োজনে ” সাস্টেইনএবল রিভার ড্রেজিং: চ‍্যালেঞ্জেস এন্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড ” শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভায় নৌ প্রতিমন্ত্রীখানসামায় লকডাউন বাস্তবায়নে চলছে এসিল্যান্ড এর বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ অভিযান

কুমিল্লার হাইওয়ে হোটেলগুলোতে নোয়াখালীর যাত্রীদের সাথে প্রতারণা

সুজন পাল জেলা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার হাইওয়ে রোডের সাথে থাকা হোটেল রেস্তোরাঁ গুলোকে বিভিন্ন সময়ে জরিমানার পরও যাত্রীদের কাছ থেকে পণ্যের চড়া দাম নিচ্ছে কুমিল্লার শতাধিক হাইওয়ে রেস্তোরা। গলা কাটা দাম নেওয়ার পরও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশনের অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার অংশে রয়েছে শতাধিক রেস্তোরা। এগুলোতে বিশেষ করে বৃহত্তর নোয়াখালীর বাস ও অন্য পরিবহন যাত্রা বিরতি করে। যাত্রা বিরতির অধিকাংশ রেস্তোরায় পাঁচ টাকার পরোটা ২০,আর ১০ টাকার চা ৩০ টাকা, বিক্রি করা হয়। সূত্র জানায়, অনেক বাসমালিক ও চালকদের সঙ্গে চুক্তি থাকে ওই রেস্তোরায় যাত্রা বিরতির। বিরতির পর চালক, সুপার ভাইজার ও হেলপারের খাবার ফ্রি দেওয়া হয়। থাকে তাদের কমিশনও। কমিশনের টাকা তুলতে চড়া দাম দিতে হয় যাত্রীদের।

ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয় সূত্র জানায়, গত তিন বছরে বেশি দামে খাবার বিক্রি ও নোংরা পরিবেশের জন্য অর্ধ শতাধিক রেস্তোরা মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে সুয়াগাজী এলাকার হোটেল কাননকে জরিমানা করা হয়েছে দুইবার। চৌদ্দগ্রামের তাজমহল কমপ্লেক্স, ফুড প্যালেস, টাইমস স্কোয়ার, ভিটা ওয়ার্ল্ড, হাইওয়ে ইন রেস্তোরাকে একবার করে, ডলি রিসোর্টকে দুইবার, তৃপ্তি হোটেলকে দুইবার জরিমানা করা হয়। আলেখারচরের মাতৃভান্ডার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট, ব্লু ডায়মন্ড হোটেল ও কুমিল্লা হাইওয়ে হোটেলকে দাম বেশি নেওয়ার জন্য জরিমানা করা হয়। ধানসিঁড়ি রেস্তোরাঁকে দুইবার জরিমানা করা হয়েছে। মায়ামী হোটেল, পদুয়ার বাজারের হোটেল, নুরজাহান ও ছন্দু হোটেল,ও জরিমানা থেকে রেহাই পায়নি। আর বুড়িচংয়ের মিয়ামী হোটেলকে, দাম বেশি ও নোংরা পরিবেশের জন্য তিনবার জরিমানা করা হয়।

একই কারণে জরিমানা গুনতে হয়েছে নুরমহল হোটেল, ময়নামতি হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট, সৌদিয়া হোটেল, ঝাগুরজুলির আইরিশ হিল, জমজম হোটেল, জাহানারা হোটেল, ও বৈশাখী হোটেলকে। ফেনীর যাত্রী নূর নবী বলেন, যাত্রা বিরতির সময় অনেক রেস্তোরাঁয় পাঁচ টাকার পরোটা ২০ টাকা, ১০ টাকার চা ৩০ টাকায় বিক্রি করে। সেভাবে তারা মূল্য তালিকাও করে রাখে। অনেকে মূল্য তালিকা না দেখেই খাবার খায়। পরে বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিতে হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে ও তদারকি করে নোংরা পরিবেশ ও মূল্যতালিকা না থাকার বিষয়ে জরিমানা করি। হাইওয়ে রেস্তোরাগুলো আমাদের নজরদারিতে রয়েছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো