English|Bangla আজ ৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার বিকাল ৫:১৪
শিরোনাম
স্বপ্নের ফুলবাড়ী স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিতমহেশপুরের আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন মাননীয় জেলা প্রশাসকনরসিংদীতে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড ২৭৯ জনপবিত্রতা ও তওবার মাধ্যমে করোনা রোগমুক্তি শতভাগ সম্ভব- সংবাদ সম্মেলনে পীর লিয়াকত আলী খানদাগনভূঞা পৌরসভা করোনা ভাইরাস এর সংক্রমন ও প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্টিতরাণীনগরে চুরির ঘটনায় চার জন গ্রেফতার চোরাই মালামাল উদ্ধারনৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অগ্রগতি পর্যালোচনা ভার্চুয়াল সভাদিনাজপুর বিরল উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিতখানসামায় ট্রাক-ট্রাঙ্কলরী শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌঁছে দিলেন ইউএনওউলিপুরে রাস্তায় মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যু

কলাপাড়ায় লালুয়া ইউনিয়নের ৩ কিলোমিটার রাস্তাটির চরম বেহাল দশা।দেখার কেউ নাই।

মোঃ পারভেজ কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নে উওর লালুয়া লঞ্চঘাট খেয়াঘাট হইতে-গোলবুনিয়া যাতায়াতের প্রায় ৩ কিলোমিটার ইটের সড়কটির নাজেহাল অবস্থা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে ইট সরে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ন হয়ে গেছে। এসব ঝুকিঁপূর্ণ স্থানে যেকোন সময় মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক হওয়ার কারনে প্রতিনিয়ত এ সড়ক দিয়ে শত শত মানুষ চলাচল করে।

ইউনিয়নের ছোনখোলা, মাঝের হাওলা, গোলবুনিয়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের উপজেলা সদর ও বাজারের যাতায়তের একমাত্র সড়ক হওয়ার কারনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের যাতায়ত করতে হয়। অত্র এলাকার মানুষের দ্রুত চলাচলের একমাত্র বাহন মটরসাইকেল।এছাড়া ভ্যান গাড়ী ও টমটমেও তারা যাতায়তকরে থাকে। এসকল বাহনগুলো মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে।

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্নিঝড় সিডরের সময় ইটের সড়কটির কিছু অংশ ভেঙ্গে জায় তার পড় আর নির্রমান করা হয়নি সড়কটি।এ ছাড়াও বর্তমানে একটি কুচক্র মহল সড়কের অধিকাংশ যায়গা থেকে ইট নিয়ে গেছে তারা ইট দিয়ে ঘর তৈরি, পুকুর ঘাট, টয়লেট ইত্যাদি তৈরি করছে।সড়কের ইট নেওয়ার কারণে গর্তের আকার আরো বড় হতে থাকে।

দিনের বেলা মানুষ চলাচল করলেও রাতের আঁধারে খানাখন্দে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্থানীয় যানবাহন গুলোও শিকার হয় দুর্ঘটনার।এ সড়কটির উপর নির্ভর করে শেরে বাংলা নৌঘাঁটি, লঞ্চঘাট,উওর লালুয়া ইউ,সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী,মাঝের হাওলা প্রাণকেন্দ্র লঞ্চঘাট বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে আসা সহস্রধিক লোক।এখানে রয়েছে ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।তাই বাধ্য হয়েই এখানকার শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা চালিয়ে নিচ্ছেন। এলাকায় কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়াও কষ্ট সাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চলাচলের অনুপযোগি এই সড়কের কারনে অনেকেই বিনা চিকিৎসায় বাড়িতেই মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে শেষ মুহূর্তে আত্মসমর্পণ করতে হয়। পায়রা বন্দর থেকে অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং ৩নং লালুয়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া, চিংগুরিয়া, গোলবুনিয়া গ্রামের ছাএ ছাএী তিন -চার কিলোমিটার ভাঙ্গা সড়ক পায়ে হেঁটে উওর লালুয়া ইউ,সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আসা যাওয়া করে পড়াশুনা চালাতে সীমাহীন কষ্ট শিকার করতে হয় তাদের।

এসব গ্রামের শিক্ষার্থী কলাপাড়ার বিভিন্ন কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে তাদের সবাইকে পায়ে হেঁটে ভাঙ্গা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ওই এলাকায় ভাঙ্গা সড়ক কারনে কোন গাড়ি চলাচল করতে পাড়ে না এবং চলাচল করলেও দুর্ঘটনা ঘটে।বেহাল রাস্তার কারনে তাদের পড়াশুনাও হয়ে পড়েছে বন্ধের উপক্রম।সবচেয়ে বেশি দূর্ভোগে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ দেড় শতাধিক ব্যবসায়ী।এসব এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস থাকলেও এদের জীবনমান নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোনোই মাথাব্যাথা নেই।

একাধিক পথচারী জানিয়েছে। তারা আরো জানায় যে, সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় চলাচলে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এবং সব সময় দূর্ঘটনার আশংকা থেকেই যাচ্ছে। সড়কটি যদি এখনি সংস্কার না করা হয় তাহলে সড়কটির অবস্থা আরো খারাপ হবে এবং সাধারণ জনগণ আরো বেশি দূর্ভোগে পড়বে। যথাযথ উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে পথচারী ও এলাকাবাসির দাবি, সড়কটির দ্রুত সংস্কার করে সকলের যাতায়াতের জন্য উপযোগী করা হয়।

স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী জানান, এই সড়ক দূর্ভোগের কারনে তাদের মালামাল পরিবহনে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। সড়ক ভালো না থাকায় গাড়ি প্রবেশ করাতে পারছেন না। তাছাড়া এই সড়ক পথে প্রতিদিন তিন থেকে চার হাজার কর্মচারী ধানখালী ১৩২০ পায়রা মেঘাওয়াট তাপবিদ্যুত কেন্দ্রে এবং লালুয়া শেরে বাংলা নৌঘাঁটিতে কাজ করে।

এ ভাঙ্গা সড়কের কারনে তাদেরও দূর্ভোগ পোহাতে হয়।এছাড়ও এ এলাকার মানুষ কৃষিনির্ভর। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রির জন্য কলাপাড়া উপজেলা সদরে নিয়ে যেতে সীমাহীন কষ্ট ভোগ করতে হয়।এ ব্যাপারে সড়ক উন্নয়নে জরুরী পদক্ষেপ নেয়ার দাবি করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ।

এবিষয়ে ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: মুজাম্মেল হোসেন বলেন, সিডরের পর থেকে আজপর্যন্ত দীর্ঘদিন জনবহুল এ রাস্তাটি মানুষ চলাচল ও যানবহনে যাতায়তের জন্য অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে, তাই জরুরী এ রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন ।

লালুয়া ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান মো: শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন, ২০০৭ সালের সিডরের পর থেকে বহুল জনপদ অধ্যুষিত এ রাস্তাটি অবহেলিত হয়ে রয়েছে, বারবার রাস্তাটির দূরবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেয়া হলেও তারা কোনোই ব্যবস্থা নিচ্ছেনা, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর একে-অপরের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে এড়িয়ে যাচ্ছে, বঞ্চিত হচ্ছে এলাকার চার হাজার সাধারন মানুষ, অতি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য ইউপি চেয়

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো