English|Bangla আজ ৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার রাত ১১:২৮
শিরোনাম
ভালুকায় আতংকে আছে নাজমার পরিবারকুড়িগ্রামে গাছের ডাল পড়ে প্রান গেল কাঠঁ ব্যবসায়ীরনাচনাপাড়ায় বাস্তবে একটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা থাকলেও একই নামে কাগজ-কলমে দেখানো হচ্ছে দুটি।পত্নীতলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শিশু খাদ্য বিতরণসাপাহারে ভুয়া কবিরাজের চিকিৎসায় হাত হারাতে বসেছে সাত বছরের শিশু!পলাশবাড়ীতে জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিতনাগেশ্বরী কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন মোহাম্মদ অাব্দুল অাউয়ালকুড়িগ্রামে মোবাইলে অনলাইনে গেম খেলায় ১১ শিক্ষার্থী আটক- মুচলেকায় অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরডিসিসিআই’র আয়োজনে ” সাস্টেইনএবল রিভার ড্রেজিং: চ‍্যালেঞ্জেস এন্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড ” শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভায় নৌ প্রতিমন্ত্রীখানসামায় লকডাউন বাস্তবায়নে চলছে এসিল্যান্ড এর বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ অভিযান

আমাদের রাখাল দা ২য় পর্ব

আমাদের রাখাল দা- পর্ব ২
(বাবু রাখাল চন্দ্র নন্দী)

আমি কবিতা তেমন লিখতে পারিনা, রাখাল দার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞ্যপনার্থে আমার একটু প্রচেষ্টা মাত্র।
রাখাল দা র মনের কথা গুলো কবিতায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।

#দেশান্তরী
– মোঃ নূরুল আনোয়ার মামুন

গ্রীষ্ম দিয়ে শুরু আর বসন্তে শেষ,
ষড় ঋতুর দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ।
মাঠে প্রান্তরে দোল খায় সোনালী ধানের শীষ,
ঝরে চারিধারে অফুরান বিধাতার আশীষ।
মাটি শুধু মাটি নয় উর্বর এক ভূমি,
কৃষিকাজ করে তাই ধন্য হলাম আমি।
ফুল ফলে ভরা ছিল মোর ছোট্ট এক বাড়ি,
হঠাৎ করেই কেন জানি দিলাম তার সঙ্গে আড়ি।
ছিল গোলা ভরা ধান আর পুকুর ভরা মাছ,
সারাদিন কেটে যেত মোর, করে পাখ পাখালির পাছ।
স্কুলের চাকরি শেষ করে নিলাম অবসর,
ছিল আশা বাধঁব আমি বেলা শেষের বাসর।
উন্নয়নের যাতাকলে হলো সমাজের মূল্যবোধের ক্ষয়,
নিরীহ মানুষ আমি, তাই লাগলো মনে ভয়।
পশ্চিম বাংলার সমাজটা সব কলুষ থেকে মুক্ত,
শুনেছি সারা বছর মানুষ থাকে পার্বনে যুক্ত।
জীবন সায়াহ্নে একটু সুখে থাকতে চাই,
যাব নাকি ওপারেতে ভেবে কূল না পাই।
চলে গেলাম শেষ মেষ বন্ধু বর ফেলে,
জনম ভূমির জন্য এখন প্রাণ আমার কাঁদে।
শিলিগুড়ির কাছেই আমার নতুন এক বাড়ি,
আসবাব তেমন নেই, আছে শুধু গুটি কয়েক হাড়ি।
সঞ্চয় ছিল না তেমন, ছিল না টাকা কড়ি,
জমি বিক্রির কিছু টাকা নিয়েই হলাম দেশান্তরী।
দিন চলে যায় কোন মতে, চিকিৎসার নেই টাকা,
সন্তানদের আয় রোজগার কম, তাদেরও হাত ফাঁকা।
এই খানেতে আছি আমি বড়ই একাকী,
নেই কোন বন্ধু আমার, পাহাড়ই আমার সাথী।
পাহাড়ের উপর উঠে তাকিয়ে দেখি যতদূর চোখ যায়,
বাংলাদেশের কোন কিছু যদি চোখে দেখা যায়।
তোমরা সবাই ভালো থেকো ওপারের বন্ধু পরিজন,
এপারেতে কোন মতে চলে যাচ্ছে মোর জীবন।
জন্মে আমি ধন্য বাংলায়, করেছি সেথায় পূণ্য,
জীবন শেষে কেন জানি হয়ে গেলাম শুন্য।
জীবনের শেষ প্রান্তে আমি বড়ই অসহায়,
এই জনমে আর হবেনা যাওয়া আমার জন্ম ভিটায়।
জীবনের শেষ ইচ্ছা বলে রাখি ভাই,
আমার দেহ ভস্মের যেন সেথায় হয় ঠাঁই।
পুনর্জন্মে আসব আমি শালিকের বেশে,
সারা জীবন থাকব তখন সোনার বাংলাদেশে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো