English|Bangla আজ ৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার রাত ৮:০৬
শিরোনাম
সাপাহারে মিশ্র বাগান করে কোটিপতি কৃষক সাখাওয়াত হাবীব!নান্দাইলে মাঠ দিবস ও রিভিউ ডিসকাশনবান্দরবানে সারাদেশে সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন ও নিপিড়ন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনপুলিশ লাইনস্ নরসিংদীতে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতরাণীনগরে প্রতিবন্ধির জমি লিখে নেয়ার অভিযোগ বোনের বিরুদ্ধেদিনাজপুর পৌরসভা কাউন্সিলর জনকল্যাণ সংস্থা কর্তৃক নবাগত জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদানদৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ঢাবি শিক্ষার্থীকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানরায়পুরে ঝুকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো পারাপারে আহত-২০: ব্যবসায়ী মৃত্যুশয্যায়নরসিংদীতে গণধর্ষণের প্রধান আসামি আরিফ গ্রেফতার।সাংবাদিক মোজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে দেবীদ্বার সাংবাদ কর্মীদের কর্ম বিরতি

রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগ সম্পাদক নাঈম গ্রেফতার

রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাইমুল হাসান নাঈমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে নগরীর সিএন্ডবি মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। চাঁদা না পেয়ে কোচিং সেন্টার ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলার প্রধান অভিযুক্ত হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে অপর আসামী আসাদকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বোয়ালিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইফতেখার মো. আল-আমিন ও উত্তম এবং কনস্টেবল আশরাফুল ও সুমন তাদেরকে গ্রেফতার করেন। এর আগে রোববার রাতে বোয়ালিয়া থানায় নাঈমের বিরুদ্ধে মামলা করেন ইউনি কেয়ার কোচিংয়ের পরিচালক রায়হান হোসেন।

অভিযোগসূত্রে জানা যায়, রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাইমুল হাসান নাঈম ও তার অনুসারী আসাদ ও মারুফসহ আরো বেশ কয়েকজন কোচিংটির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। এর আগেও তারা বিভিন্নভাবে এই কোচিংয়ের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেছেন।

গত শনিবার তারা আবারও ৮-১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেও তারা জোরপূর্বক ৩ হাজার টাকা নিয়ে আসে। দাবিকৃত টাকার পুরোটা না দেয়ায় রোববার রাত ৮টার দিকে নাঈম ও তার অনুসারীরা কোচিং সেন্টারে ভাঙচুর করেন।

এদিকে, কোচিংয়ের পরিচালক মো. রায়হান বলেন, গত বৃহস্পতিবার আসাদ ও মারুফ এসে তিন হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে যায়। সেদিন তারা কোচিংয়ের জানালা, টেবিল, চেয়ার ভাঙচুরের পাশাপাশি এক কর্মচারীকে মারধরও করে। এরপর গত রোববার আবার তারা চাঁদা দাবি করে। তখন আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। নাইম জানায়, টাকা না দিলে কোচিং ভাঙচুর হবে। আমিও তাকে বলি যে, ভাঙচুর করতে আসলে আমিও প্রতিহত করার ব্যবস্থা করব। কিন্তু গত রোববার আমার অনুপস্থিতিতে কোচিংয়ের গেইট ভাঙচুর করে যায় নাইম, আসাদ ও মারুফসহ অনেকেই। পরে আমি থানায় অভিযোগ করি।

নাঈমের গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নগরীর বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নিবারণ চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, নাঈমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো