English|Bangla আজ ৪ঠা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার রাত ৩:০৭
শিরোনাম
সোনাগাজী থানার অফিসার ইনচার্জ ফেনী জেলার শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে মনোনিতসাপাহারে মিশ্র বাগান করে কোটিপতি কৃষক সাখাওয়াত হাবীব!নান্দাইলে মাঠ দিবস ও রিভিউ ডিসকাশনবান্দরবানে সারাদেশে সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন ও নিপিড়ন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনপুলিশ লাইনস্ নরসিংদীতে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতরাণীনগরে প্রতিবন্ধির জমি লিখে নেয়ার অভিযোগ বোনের বিরুদ্ধেদিনাজপুর পৌরসভা কাউন্সিলর জনকল্যাণ সংস্থা কর্তৃক নবাগত জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদানদৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ঢাবি শিক্ষার্থীকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানরায়পুরে ঝুকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো পারাপারে আহত-২০: ব্যবসায়ী মৃত্যুশয্যায়নরসিংদীতে গণধর্ষণের প্রধান আসামি আরিফ গ্রেফতার।

ময়মনসিংহ নিষিদ্ধপল্লীতে বিএনপিমনা আরেক পাপিয়া কোটিপতি আনুর সাম্রাজ্য

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ময়মনসিংহ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত যৌনপল্লীতে প্রভাবশালী সর্দারনীরা যৌনপল্লীতে অবস্থান করে সাধারণ ও নিরিহ যৌনকর্মীদের হয়রানী করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাদের একজন বিএনপি’র সমর্থক কোটিপতি আনোয়ারা আনু। যিনি আলোচিত পাপিয়া কান্ডের মতই যৌনকর্মীদের ভয় দেখায় আর পুলিশের নামে টাকা নেয়। রয়েছে তার ক্যাডার বাহিনী। মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজী, নারী বেচাঁকেনা ও পতিাদের বেকায়দায় ফেলে জরিমানা ও ঘুষ এর জন্য চড়া সুদে অর্থলগ্নি বা সুদ বানিজ্য করে টাকার পাহাড় গড়েছে।

সম্প্রতি এক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, দুযৌনকর্মী ঝগড়া করলেও বিচারে উভয় পক্ষের জরিমানা হয়। আর এদের জরিমানার টাকা চড়া সুদে নেত্রীরাই দিয়ে থাকেন বলে সাধারণ যৌনকর্মীরা জানায়।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানাযায়, ময়মনসিংহ শহরে নিষিদ্ধ পল্লীতে যে কয়েকজন কোটিপতি পতিতা রয়েছেন তাদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছেন যৌন কর্মী আনোয়ারা আনু। ইতিপূর্বে তার কবল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬/৭ জন মেয়ে। এদের মধ্যে জামালপুরের এক প্রভাষকের মেয়েও ছিলো। দালাল চক্রের মাধ্যমে মেয়ে এনে শুধু নিজেই রাখে না , পল্লীর অনেকের কাছে বিক্রীও করে থাকে।

জানা যায়, জনৈক পুলিশের সাথে সখ্যতা থাকায় তার নাম ভাঙ্গীয়ে শিল্পী নামের অসহায় পতিতার জমি ও দোকান দখল করে নিয়েছেন। আনোয়ারা আনু মদের ব্যবসা করাতেন ক্রস ফায়ারে নিহত রশিদকে দিয়ে। সেহড়া ডিবি রোডে রয়েছে বিশাল বাড়ি। এছাড়াও তার রয়েছে নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী। আনোয়ারা আনু নিজে ও তার ছেলে বিএনপির সমর্থক হলেও তার ভারুয়া স্থানীয় আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা।

যৌনপল্লীর এক যৌনকর্মী তার জিডিতে আনোয়ারার স্বামীর নাম সুলতান বলে উল্লেখ করেছেন। সুলতান পতিতা পল্লীর অনেকের কাছে নিজেকে আওয়ামীলীগ নেতাসহ আইনজীবী বলেও পরিচয় দেন বলে সুত্র জানায়। নির্যাতিত আরেক পতিতা এ ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তার বিরুদ্ধে এর আগেও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ হলে কিছুদিন আতœগোপনে থাকে। পরে ওপেন হয়ে একই কায়দায় চাঁদাবাজী শুরু করে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক যৌনপল্লীর একাধিক পতিতা জানিয়েছে, পতিতাপল্লীতে রয়েছে তার বিলাশ বহুল কক্ষ। এখানে বসেই সে তার ভারুয়া সুলতানকে নিয়ে মদ্যপান করে। যৌনপল্লীতে তার ১০/১২টি রুম রয়েছে। তার নিয়ন্ত্রনে থাকা যৌনকর্মীদের কাছে এসব কক্ষ ভাড়া দিয়েছে। প্রতিদিন প্রতি কক্ষ থেকে আনোয়ারা আনু প্রায় ৩ হাজার টাকা ভাড়া নেয়। পুলিশকে টাকা দেয়ার কথা বলে যৌনকর্মী শিল্পীর ঘরটি জোর করে নিয়ে গেছে। প্রতারনা করে লিখে নিয়েছে তার জমিও।

এ ব্যপারে শিল্পী কোতোয়ালী মডেল থানায় জিডি নং ৯৬৫ করেছেন। এধরনের কয়েকজন পতিতা ছাড়া যৌনপল্লীর বাকি প্রায় ৫ শ পতিতার কেউ ভালো নেই।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো