English|Bangla আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার রাত ১০:১৮
শিরোনাম
ফুলছড়িতে ভূমি অফিস নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন-ডেপুটি স্পীকারখানসামায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য গীতা বিদ্যালয় উদ্বোধন।রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপিত হেলাল সম্পাদক দুলুগোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহণ ও সংবর্ধনাপলাশবাড়ীতে রাস্তায় ইটের সোলিং করণ প্রকল্পের উদ্বোধণনওগাঁয় গলা ও পায়ের রগকাটা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করলো পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসসোনারগাঁওয়ে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণপ্রেমিকাকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণেরসাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে ঘাটাইল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন।সিদ্ধিরগঞ্জে চার্জ বিহীন ডার্চ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন

ভোলায় দুই মাস ধরে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

মো:মামুন হোসাইন (ভোলা)

ইলিশ রক্ষায় ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর নির্দিষ্ট এলাকায় দুই মাস সব ধরনের মাছ শিকার নিষিদ্ধ। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ইলিশসহ সকল ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।

মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চরপিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার এবং তেঁতুলিয়া নদীর ভেদুরিয়া থেকে চর রুস্তুম পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অভয়াশ্রম চলাকালে ইলিশসহ যেকোনো মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও সরবরাহ নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানায় মৎস বিভাগ।

অভয়াশ্রম চলাকালে ইলিশসহ যেকোনো মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও সরবরাহ নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তর।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলেদের জাটকাসহ সকল ধরণের মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকার জন্য ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক সভা করা হয়েছে। নদী উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং, জেলে পাড়ায় লিফলেট বিতরণ ও আড়ৎগুলোতে ব্যানার সাঁটনো হয়েছে।

আইন অমান্য করে কোনো জেলে জাটকা নিধন করলে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আগামী ২৯ ফেব্রয়ারী রাত ১২টার পর থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ থাকবে। সূত্রে আরও জানা গেছে, ভোলার ৭০ হাজার ৯৪৩টি নিবন্ধিত জেলে পরিবারের রয়েছে। এসব জেলেদের মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে ৪০ কেজি করে দুই মাসে ৫৬৭৫.৪৪০ মে. টন চাল দেবে সরকার।

মেঘনার জেলে হারুন মাঝি ও মোমিন মিয়াঁ সংবাদ কর্মীদের জানায়, মেঘনায় নিষিদ্ধ সময়ে যে পরিমাণ চাল দেওয়া হয়, তা দিয়ে সংসার চালানো খুবই কঠিন। তাই নিষিদ্ধ সময়ে চালের পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থান কিংবা আর্থিক সহায়তা দেয়ার জন্য তারা সরকারের কাছে দাবি করেন।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো