English|Bangla আজ ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার সন্ধ্যা ৭:১২
শিরোনাম
কুলিয়ারচরে বঙ্গবন্ধু ঢাকা ম্যারাথন দৌড়ে সাংবাদিক নাঈম তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেকুলিয়ারচর পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী হয়েই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে ছুটে যান মহসিনআনন্দ টিভির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, আব্বাস উল্লাহ সিকদারের ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে গাজীপুরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতহাত্রাপাড়া সমাজকল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে অসহায় ও দুঃস্থ মাঝে কম্বল বিতরণঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচন : মেয়র পদে ৭ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিলপলাশবাড়ীতে অগ্নিনির্বাপক গ্যাস বিস্ফোরণে গুরুতর অাহত-১গাইবান্ধায় নির্বাচন পরবর্তী সংহিসতায় দু’টি মামলা দায়ের : আটক-৫রাণীনগরে ৩ জুয়ারীসহ আটক ৪রাণীনগরে ঘটনার ১৬ মাস পর হত্যা মামলালক্ষ্মীপুরে-পৌরসভা নির্বাচন:৬ মেয়র প্রার্থীসহ ৫৭ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

ভালুকা হবিরবাড়ী ইউনিয়নের বিভক্ত আ’লীগকে ঐক্যবদ্ধ করতে স্বেচ্ছা সেবক নেতা সেলিমের খোলা চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের বিভক্ত আ’লীগকে ঐক্যবদ্ধ আ’লীগে পরিণত করতে স্বেচ্ছা সেবকলীগ নেতা এ এস এম সাখাওয়াত হোসেন সেলিম কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি খোলা চিঠি চিঠি লিখেছেন।

এ এস এম সাখাওয়াত হোসেন সেলিম সাবেক সভাপতি হবিরবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও সাবেক সাবেক যুগ্ন আহবায়ক এবং বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভালুকা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে ভালুকায় আ’লীগের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত হবিরবাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগের বর্তমান সাংঘঠনিক অবস্হার প্রেক্ষিতে এবং সৃষ্ট কাঁদা ছুড়াছুড়িতে আ’লীগের সুনাম, ঐতিহ্য ও গৌরব তথা বর্তমান সরকারের উন্নয়নের সমস্ত অর্জন ধুলিস্যাতের হাত থেকে রক্ষা করে বিভক্ত আ’লীগকে ঐক্যবদ্ধ আ’লীগে পরিণত করতে যথাযথ ব্যবস্হা গ্রহণ করতে উর্ধতন নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পাঠকদের জন্য হুবহু সাখাওয়াত হোসেন সেলিমের লেখা খোলা চিঠিটি তুলে ধরা হলঃ

প্রিয় নেতৃবৃন্দ জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে সফল রাষ্ট্র নায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার প্রধান হিসেবে রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ বাস্তবায়নে দেশের অভুতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত করার পাশাপাশি সংঘঠনকে শক্তিশালী করার জন্য তৃনমূল পর্যায়ে আ’লীগের সম্মেলনকে সফল করার জন্য জোর তাগিদ দিয়েছিলেন।

এই তৃনমূল পর্যায়ে সম্মেলনের প্রারম্ভিকতায় হবিরবাড়ী ইউনিয়নে আমরা পেলাম -নিজেদের প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তারের স্বার্থে আদর্শের দোহাই দিয়ে আস্হা অনাস্থার মধ্য দিয়ে দুটি বিভক্ত আ’লীগ,একে অন্যের প্রতি প্রকাশ্যে চরম বিষোধাগার, ব্যাক্তি পর্যায়ে কদর্যপূর্ণ মন্তব্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চরম বেয়াদবি পূর্ণ আচরণ যাতে পারস্পারিক শ্রদ্ধাভক্তি ও স্বাভাবিক সৌজনতার লেস মাত্রও নেই। জাতীয় প্রোগ্রাম গুলোতে আলাদা আলাদা মিটিং মিছিল মাইকিং, কখনো কখনো অপৃতিকর ঘটনারও অবতারণা ঘটছে যা সাধারণ জনগনের হাস্য তামাসার বিষয়ে পরিণত হচ্ছে এবং বিরোধী পক্ষের লোকজনের তাতে আগুনে ঘী ডালার হাতিয়ার হিসেবেও কাজ করছে।উদ্ভুত পরিস্হিতি আ’লীগের ঘাটি ঐতিহ্যবাহী হবিরবাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগের জন্য খুবই অশনি সংকেত।

খাঁটি আ’লীগ অন্তপ্রান মানুষ যারা বৃদ্ধমান কোন গ্রুপেই নেই তারা সহ সচেতন শিক্ষিত সমাজ গভীর উদ্বেগ উৎকন্ঠার সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে প্লান ও তার সুধীর সাংঘঠনিক কাঠামো তৃনমূলকে দূর্বল করার প্রয়াস হিসেবে হবিরবাড়ী আ’লীগকে প্রশ্নবৃদ্ধ করার জন্য এইসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে একটি গভীর ষড়যন্ত্রেরর অংশ হিসেবে মনে করছে।

বিভক্ত দুটি গ্রুপে শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বশীর নেতৃবৃন্দ সহ সহযোগী সংঘঠনের নেতাকর্মী যখন আ’লীগের চরম দুঃসময় তথা বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের চরম প্রতিকূল পরিবেশে দলীয় বিশৃঙ্খল অবস্হায় ঐক্যবদ্ধ আ’লীগের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছেন এবং হামলা মামলা ও নির্যাতন নিপিরনের সম্মুখীন হয়েছেন।

পরবর্তীতে প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। অতীতে অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে আসলেও এরকম কদর্যপূর্ণ বিশৃঙ্খল পরিস্হিতিতে কখনো পড়তে হয়নি।

উদ্ভুত অবস্হায় আমার প্রশ্ন হচ্ছে –
* আমাদের উর্ধতন নেতৃবৃন্দ এখনো পর্যন্ত কেন উপরোক্ত পরিস্হিতির সুষ্ঠ সমাধান দিতে পারছেন না।এর সমাধান কি আমাদের নেতৃবৃন্দের হাতে নেই?
* আওয়ামীলীগকে বিভক্ত করে রাখলে কারা লাভবান হচ্ছেন বা হবেন?
* কারা এর পিছনে ইন্ধন দিচ্ছে।দলের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা এসব সুবিধাবাদী ইন্ধনদাতাদের খোজে বের করতে হবে।যাদের কারণে হবিরবাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগ আজ এই দৈন্যদশায় পতিত হওয়ার উপক্রম হচ্ছে।

হবিরবাড়ীর আওয়ামী জনতা যারা কোন পদ পদবীর আশা করেনা, যারা ব্যাক্তি স্বার্থ চিন্তা না করে দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করতে বদ্ধ পরিকর তাদের কাছে এসব সংকট নিরসন কল্পে উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের প্রয়োজনে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতৃ, গণমানুষের আস্হার সর্বশেষ ঠিকানা, আমাদের অভিভাবক, বাংলাদেশ আ’লীগের সভাপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপেরর দাবী জোরালো হচ্ছে।

পরিশেষে বলতে চাই,
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন সমাগত প্রায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তথা আ’লীগ সরকার কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী ও স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ২০২০ ও ২০২১ সালে মুজিব বর্ষ উদযাপনের প্রাক্বালে আ’লীগকে আরো সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ রাখার কোন বিকল্প নাই।আমরা খাঁটি ও ঐক্যবদ্ধ আ’লীগ চাই।শিল্প কারখানা সমৃদ্ধ হবিরবাড়ী ইউনিয়নের সম্ভাবনা যেমন অসীম তেমনি রয়েছ

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো