English|Bangla আজ ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার রাত ৮:২৩
শিরোনাম
ভালুকায় মেয়র প্রার্থীর নৌকার প্রচারণায় মমেক ছাত্রলীগের সেক্রেটারি হাসানভূঞাপুরে “আনন্দ টিভি’র” প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের স্মরণে দোয়া মাহফিললক্ষ্মীপুরে ইটভাটা শ্রমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারকুলিয়ারচরে বঙ্গবন্ধু ঢাকা ম্যারাথন দৌড়ে সাংবাদিক নাঈম তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেকুলিয়ারচর পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী হয়েই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে ছুটে যান মহসিনআনন্দ টিভির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, আব্বাস উল্লাহ সিকদারের ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে গাজীপুরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতহাত্রাপাড়া সমাজকল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে অসহায় ও দুঃস্থ মাঝে কম্বল বিতরণঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচন : মেয়র পদে ৭ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিলপলাশবাড়ীতে অগ্নিনির্বাপক গ্যাস বিস্ফোরণে গুরুতর অাহত-১গাইবান্ধায় নির্বাচন পরবর্তী সংহিসতায় দু’টি মামলা দায়ের : আটক-৫

পৌষ সংক্রান্তি পূজায় সাধন সঙ্গীত পরিবেশন

হবিবুর রহমান, নীলফামারী, প্রতিনিধি

আমাদের দেশে প্রতি বছরের মত সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু সম্প্রদায়ের পিঠা উৎসব সংক্রান্তি পূজা শান্তিপূর্ণ ভাবে পালন করছে। পরস্পরকে সম্পৃতির বন্ধনে আবদ্ধ করতে কীর্তনিরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে ঢোল -ঢাক বাজিয়ে ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন করেন।

এ বিষয়ে কথা হলো সুনামগঞ্জ জেলার ধর্ম পাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়ন পাল পাড়া গ্রামের মালোতি রানীর সাথে তিনি বলেন আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবনে বার মাসে তের পর্ব ণ আসে। পৌষ পর্বণ ও তেমনি ধর্মীয়অনুভূতি আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিন আমরা প্রত্যেকে নানা ধরনের পিঠা-পুলি তৈরি করি ।আত্নীয়-স্বজনদের নেমন্তন্ন করি। এতে আমরা অনেক আনন্দ পেয়ে থাকি।

স্কুল ছাত্রী স্বর্ণা রাণী ৮ম শ্রেণীতে পরছেন। তার সাথে কথা হলে সে জানান আমি আমার বন্ধু-বান্ধব কে নেমন্তন্ন করেছি।তারা সকলেই আমাদের বাড়িতে আসে মা নানা ধরনের পিঠা-পুলি তৈরি করি এবং বন্ধুরা মিলে অনেক আনন্দ করে পিঠা খাই।

প্রশ্ন করলাম স্বর্ণা রাণীকে, তোমার স্কুলে র কোন ধর্মের বন্ধুরা পৌষ সংক্রান্তির নেমন্তন্ন খেতে আসে? জবাবে সে বলল সব বন্ধু-বান্ধবেই আমার বাড়িতে পৌষ সংক্রান্তি নেমন্তন্ন খেতে আসে। এখানে হিন্দু-মুসলিম কোন ভেদাভেদ নেই। আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলী ও নেমন্তন্ন খেতে আসে। প্রতিবেশী মুসলিম খেলার সাথীরা ও আসেন। এতে আমরা সকলেই আনন্দ পাই।

প্রাচীন কালের ইতিহাসে দেখা যাচ্ছে বা ভারতীয় উপ মহাদেশে হিন্দু-মুসলিম পরস্পর সম্পৃতির বন্ধনে আবদ্ধ । আমরা হিন্দু মুসলিম ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে সমস্ত পার্বণ পালন করে আসছি। ফলে বাংলাদেশে ও আজ শান্তি পূর্ণ ভাবে হিন্দু সম্প্রদায় সহ সকল ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করছে।কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি আজ পর্যন্ত।

১৯৪৭ সালে ও উপ-মহাদেশে হিন্দু-মুসলিম ও সকল ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ঐক্যবদ্ধ হয়ে ব্রিটিশ উপনিবেষের বিরুদ্ধে “ভারতছার” আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। এই আন্দোলনে চট্টগ্রামে জুম্মাখান নামে এক চাকমা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেছিল।

তাই আজ আমরা স্বাধীন ভারতবর্ষ পেয়েছি।এ উপ-মহাদেশের মানুষ শান্তি পূর্ণ ভাবে হিন্দু-মুসলিম সহ সকল ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী জীবন যাপন করতেছি ।হয় তো উপ-মহাদেশের মানুষের সম্পৃতির বন্ধনে ঔপনিবেশিক সমাজ ব্যাবস্থার আতে ঘা লাগতে পারে ।কিন্তু আমাদের এই ভারতীয় উপ মহাদেশে হিন্দু-মুসলিম পরস্পর সম্পৃতির বন্ধনকে রক্ষা করতে সকল ধর্ম -বর্ণ,মতানৈক্য ভুলে গিয়ে ৪৭সালের বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে হবে।

অন্যথায় আমাদের স্বাধীনতা ও সর্বভৌমত্তের ওপর আঘাত আসতে পারে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো