English|Bangla আজ ২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার সকাল ১০:৫৬
শিরোনাম
গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে ভোটারদের চাওয়া পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সুষ্ঠু নির্বাচননাচনাপাড়ায় কৃষকের ধানের পালায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃওরাচাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা-ফেনসিডিলসহ ৩ জন গ্রেপ্তারকুুড়িগ্রামে ১৪ কেজি গাঁজা ও ২০২ বোতল ফেনসিডিলসহ সাংবাদিক আটকতার্ত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র পৌছে দিলেন নওগাঁর প্রকৌশলীরাকুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ এএসআই উলিপুর থানার সোহাগ পারভেজবাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির বিশেষ টিমের সদস্য, রুহুল আমিন।ভূঞাপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ১০ কাউন্সিলর প্রার্থীকে জরিমানাগোবিন্দগঞ্জ দুই বালুদস্যূ আটককুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মাছ ও গাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা?

পুলিশ বলে কথা! লালমোহনে প্রতিপক্ষের ধারাবাহিক মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি :

ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ৯নং ওয়ার্ড এলাকার মৃত আঃ মুনাফের পরিবারকে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার পুলিশ সদস্য ফজলুল হকের পরিবারের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, আঃ মুনাফের ছেলে জসিম ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে একের এক মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন একই বাড়ির ফজলুল হক, তার স্ত্রী হোসনেয়ারা, ছেলে আল মামুন ও সুমন। ফজলুল হক একজন পুলিশ সদস্য। তার ছেলে আল মামুন ও পুলিশে চাকুরি করেন।

ভুক্তভোগী জসিম জানান, আমাদের বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন পুলিশ সদস্য ফজলুল হক। যার নং ৩৬/১৯৯৬। পরে ওই মামলা খারিজ হয়ে গেলে পুনরায় নিজের স্ত্রী হোসনেয়ারা ও দুই ছেলে আল মামুন এবং সুমন কে বাদি করে একের পর এক মামলা দিতে থাকেন তিনি।

তারই ধারাবাহিকতায় ২০০৬, ২০০৯ ও ২০১২ সালে ফজলুল হকের স্ত্রী হোসনেয়ারা বাদি হয়ে জসিম ও তার ভাইদেও আসামী করে তিনটি মামলা করেন। পর্যায়ক্রমে মামলাগুলো খারিজ হয়ে গেলে আবার ২০১৩ সালে ফজলুল হকের ছেলে আল মামুন বাদি হয়ে মামলা করেন। এতেও ক্ষ্যান্ত না হয়ে ফজলুল হকের ছোট ছেলে সুমন কে বাদি করে আরেকটি মামলা করা হয়। এছাড়াও ২০১৪ সালে ফৌজদারি ১৪১/২০১৪ এবং ১১৪/২০১৪ আরও দুটি মামলা করা হয়েছে বলেও জানান ভুক্তভোগী জসিম। ।

জসিম আরও বলেন, পুলিশ সদস্য ফজলুল হক ও তার পরিবারের হাত থেকে বাঁচতে তারাও দুটি ফৌজদারি মামলা করেন। যার নং ২০২/২০১২ ও ২৮১/২০১২। তবে মামলা থাকলে ফজলুল হকের ছেলে আল মামুনের পুলিশে চাকরির পথে বাধা হতে পারে ভেবে মামলা তুলে নিতে ছলনার আশ্রয় নেয় ফজলুল হকের পরিবার। ওই সময় স্থানীয়ভাবে ফয়সালায় বসেন তিনি। স্থানীয় শালিসগণের মাধ্যমে ফয়সালা হলে আমরা মামলা তুলে নেই। কিন্তু মামলা তুলে নেওয়ার পর যখন আল মামুনের চাকরি হয় তখন আবারও পুরোনো চেহারায় ফিরে আসেন তারা। শুরু হয় একের পর মামলা দেয়া।

স্থানীয় পর্যায়ে একাধিকবার শালিস হয়েছে। স্ট্যাম্পে স¦াক্ষর দিয়ে শালিসে বসেও পরবর্তীতে তা মানছেন না পুলিশ পরিবার। এ যেন “বিচার মানি তালগাছ আমার”।
ভুক্তভোগী জসিম আরও জানান, গত কিছুদিন পূর্বে আমাদের জায়গায় ঘর তুলতে গেলে আমাদের বিরুদ্ধে লালমোহন থানায় অভিযোগ করে ঘরের কাজ বন্ধ করে দেয় ওই পুলিশ পরিবার। তাদের ধারাবাহিক মামলায় আমরা পথে বসে গেছি। আর্থিকভাবে ভিষণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। তারা বাপ বেটা পুলিশ বিধায় আমরা তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশ সদস্য ফজলুল হক বলেন, তারা (জসিমের পরিবার) জাল দলিল করে জমি খাবে, জমি বুঝ দেবে না, ও আমাকে কোপানোর হুমকি দেয়। এখন শালিসির তারিখ দেয়া হয়েছে আগামী ২৪ তারিখ, ওই তারিখে তারা জবাব দেবে।

পুলিশ পরিবারের সীমাহীন অত্যাচার ও জোর জুলুমের হাত থেকে বাঁচতে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো