English|Bangla আজ ২০শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার রাত ১১:১১
শিরোনাম
মুরাদনগরের বাঙ্গরার পূৃর্বধৈইরে নবজাগরন সংগঠনের উদ্যাগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরনমেরকুটা নাইট শট সার্কেল টিভি কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত।মোংলায় শীতার্ত পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দিলেন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহারঅনলাইন পাবলিক গ্রুপ আমাদের জন্মভূমি- কিশোরগঞ্জ এর দ্বিতীয় ধাপে শীতবস্ত্র বিতরণভালুকা পৌর নির্বাচন: প্রচারণায় ব্যস্ত মমেক ছাত্রলীগ সম্পাদক হাসাননারী ফুটবল লীগে নিজ পরিচয়ে খেলতে চায় রংপুরের পালিচড়ার মেয়েরানবীনগরে বিদ্যুতের অাগুণে পুড়ে চাচা ভাতিজার মৃত্যুবুড়িচংয়ের আনন্দপুরে মানবতার দেয়াল উদ্ভোধন ও শীতবস্ত্র বিতরণবর্ণাঢ্য অায়োজনে কালীগঞ্জে এশিয়ান টিভি’র ৮ম বর্ষপূর্তি উৎযাপন।মহেশপুরে মাদক, বাল্যবিবাহ এবং আত্নহত্যা প্রতিরোধে ওয়ার্কশপ অনুষ্টিত।

পাহাড়তলী রেল ওয়ার্কশপে বাড়ছে কার্যক্ষমতা , কমছে ভোগান্তি

আল আমিন চট্রগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ওয়ার্কশপে কিছুদিন আগেও দৈনিক একটি কোচ মেরামত করা হতো। এখন মেরামত হচ্ছে দুটি করে। একটি কোচ মেরামতে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও সুযোগ মিলত না। কিন্তু বর্তমানে ছয় মাসেই সুযোগ মিলছে।

মাত্র এক দশকের ব্যবধানে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ওয়ার্কশপের কার্যক্ষমতা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। যথাসময়ে হচ্ছে কোচ মেরামত, কমছে ভোগান্তি। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪৭ সালে পাহাড়তলীতে প্রতিষ্ঠিত কারখানাটিতে একসময় নতুন কোচ নির্মাণ হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার কারণে রেলওয়ে কোচ মেরামত ছাড়াও নতুন কোচ নির্মাণে অনাগ্রহী হয়ে ওঠে। কিন্তু সা¤প্রতিক সময়ে কোচ মেরামতসহ ওয়ার্কশপ থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কোচ সরবরাহ শুরু হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় পাহাড়তলী ওয়ার্কশপ থেকে বার্ষিক কোচ মেরামতের হার বাড়তে থাকে। সর্বশেষ চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে কোচ মেরামত হয়েছে ৫০১টি। তাছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক কোচ মেরামত ৫৭০টি ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষ। রেলের প্রকৌশল বিভাগের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০১০ সালে পাহাড়তলী ওয়ার্কশপের বার্ষিক কোচ আউটটার্ন ছিল ২৯৪টি। ২০১১ সালে মেরামত কার্যক্রম কিছুটা বেড়ে ৩২৭টিতে উন্নীত হয়। ২০১২ সাল থেকে ওয়ার্কশপের কর্মদক্ষতা ফের কমতে শুরু করে। ২০১২ সালে ২৯৭টি, ২০১১ সালে ২৬০টি, ২০১৪ সালে ২৭১টি কোচ মেরামত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে ২৯২টি, ২০১৬ সালে ৩৫৭টি, ২০১৭ সালে ৪৪৬টি, ২০১৮ সালে ৪৩৬টি এবং ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৫০১টি কোচ মেরামত হয়েছে। ডিসেম্বর মাসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে কোচ মেরামতের পরিমাণ ৫৭০টি ছাড়িয়ে যাবে।

পাহাড়তলী ওয়ার্কশপের কর্মব্যবস্থাপক (ক্যারেজ অ্যান্ড ওয়াগন) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘একসময় ওয়ার্কশপে মেরামতের অপেক্ষায় থাকা কোচের জন্য পরিবহন বিভাগ থেকে তাগাদা দেওয়া হতো। অনেক সময় ক্যাটারিং সার্ভিস ছাড়াও বিভিন্ন দফতর থেকে ওয়ার্কশপে পাঠানো কোচ দ্রুত মেরামত করে দিতে সুপারিশও করা হতো। কিন্তু বর্তমানে পাহাড়তলী ওয়ার্কশপে কোচ মেরামতের জটিলতা নেই।

রেলের পরিবহন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, একসময় রেলওয়ে তীব্র কোচ সংকটে ছিল। ফলে যাত্রী চাহিদা সত্ত্বেও কোচ সরবরাহ পেত না পরিবহন বিভাগ। অনেক সময় নির্ধারিত ট্রেনের কোচ সময়মতো মেরামত না হওয়ায় যাত্রীদের কাছে বিক্রি করা টিকিটও ফেরত দিতে হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কারখানা থেকে কোচ মেরামত বেড়ে যাওয়ায় রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড কম্পোজিশন অনুযায়ী ট্রেন চালানোর পরও মজুদ রাখা সম্ভব হচ্ছে। এতে উৎসব কিংবা বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার ছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে বিভিন্ন ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন গতি পেয়েছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো