English|Bangla আজ ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার রাত ১০:২৪
শিরোনাম

পলাশবাড়ীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রেতাসাধারণের নাগালের মধ্যে

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:-

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। তবে কিছু পন্যের দাম বৃদ্ধি থাকলেও খুব শীঘ্রই সেগুলোর দাম কমে আসবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। ২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার সন্ধ্যায় বাজারদর পর্যালোচনা করে এমন চিত্র লক্ষ্য করা যায়।

সরেজমিন পলাশবাড়ী পৌর শহরের কালীবাড়ি হাট ঘুরে দেখা যায়, পূর্বের চেয়ে উর্দ্ধমূখী পেঁয়াজ এখন দাম কমতে কমতে ক্রেতাসাধারণের মধ্যে আসতে শুরু করেছে। বাজারে মানভেদে পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। তবে আশার কথা হল শুখনা শুট মরিচ ১০০ টাকা কমে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। অথচ গতকালও শুটমরিচ ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।

তবে দেশী করল্লা উর্দ্ধমূখী বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি দরে। অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মধ্যে আলু-১৫ টাকা কেজি, বেগুন লম্বা ও থাউলা বেগুন-৩০ টাকা কেজি, গাঁজর-১৫ টাকা কেজি, খিরা-১৫/২০ টাকা কেজি, টমেটো-২০ টাকা কেজি, শিম-৩০ টাকা কেজি, রসুন নতুন-১৪০ ও পুরাতন রসুন-১৯০/২০০ টাকা কেজি, কাঁচামরিচ-৫০ টাকা কেজি, লাউ প্রতিপিচ-২৫/৩০ টাকা, পাতাকপি- প্রতি পিচ ১৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া মানভেদে ২৫/৩০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

কালীবাড়ি বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আলামিন মিয়া দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকাকে জানান, অতীতের চেয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সহনীয় পর্যায়ে এসেছে। বিশেষ করে উর্দ্ধমূখী পেঁয়াজ এখন ক্রেতাসাধারণের নাগালের মধ্যে। তাছাড়া অন্যান্য তরিতরকারি ক্রেতাদের ক্রয় সীমার মধ্যে রয়েছে।

ক্রেতাসাধারণ বলেন, সবকিছুর দামতো একেবারে কমে না। কিছু তরিতরকারির বাজার এখনও একটু বেশি রয়েছে। খুব শীঘ্রই সেগুলোর দাম কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করছেন।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো