English|Bangla আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার রাত ১০:০৩
শিরোনাম
ফুলছড়িতে ভূমি অফিস নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন-ডেপুটি স্পীকারখানসামায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য গীতা বিদ্যালয় উদ্বোধন।রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপিত হেলাল সম্পাদক দুলুগোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহণ ও সংবর্ধনাপলাশবাড়ীতে রাস্তায় ইটের সোলিং করণ প্রকল্পের উদ্বোধণনওগাঁয় গলা ও পায়ের রগকাটা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করলো পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসসোনারগাঁওয়ে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণপ্রেমিকাকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণেরসাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে ঘাটাইল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন।সিদ্ধিরগঞ্জে চার্জ বিহীন ডার্চ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন

নিখোঁজের ১৭ দিন পর নববধুর গলিত লাশ উদ্ধার স্বামীর বাড়িতে যাওয়া হলো না কেয়ার।

সোহরাব হোসেন ক্রাইম প্রতিবেদক,ঝিনাইদহঃ

স্বামীর বাড়িতে যাওয়া হলো না নববধু কেয়া খাতুনের (১৬)। অবশেষে নিখোঁজের ১৭ দিন পর তার গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ত্রীলোচাঁদপুর গ্রামের মাঠ থেকে কাপড় দিয়ে বাঁধা অবস্থায় কেয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। বালিয়াডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেনীর ছাত্রী নিহত কেয়া ত্রীলোচাঁদপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের মেয়ে ও একই উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের মাইক্রো চালক সাবজাল হোসেনের নববধু।

তবে পুলিশ বলছে লাশটি আসলেই মাদ্রাসা ছাত্রী কেয়ার কিনা তা ডিএনএ টেষ্ট ছাড়া সনাক্ত করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে ওই ছাত্রীর দাদা দাদা মোশাররফ মন্ডল জানান, চুলের ব্যান্ড পোশাক-পরিচ্ছদ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এটাই আমাদের কেয়া। নিহত’র পিতা আব্দুস সামাদ জানান, পহেলা মার্চ তার মেয়েকে উঠিয়ে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই গত ২৬ ফেব্রয়ারী তার মেয়ে নিখোঁজ হয়।

যাওয়ার সময় বাড়িতে রাখা তার বিয়ের খরচ বাবদ ৯০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। তিনি বলেন, কালীগঞ্জ থানায় জিডি করলে পুলিশ ত্রীলোচাঁদপুর গ্রামের আজগার হোসেনের ছেলে আজিমকে আটক করে। পরে চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। আব্দুস সামাদ অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে ত্রীলোচাঁদপুর গ্রামের আজিম, সলেমানের ছেলে মিলন ও আশাদুলের ছেলে ইস্রাফিল হত্যা করেছে।

তবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ছানা বলেছেন, আমি নয়, আজিমকে কেয়ার পিতা ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। চেয়ারম্যানের ভাষ্য মতে এই হত্যার সাথে মিলন নামে এক যুবক জড়িত থাকতে পারে। তাকে ধরলেই এই হত্যার রহস্য বের হতে পারে। মিলনই কেয়াকে হত্যা করতে পারে বলে সন্দেহ করছি।

এদিকে গ্রামবাসি জানায়, বিয়ে হওয়ার পরও কেয়া গ্রামের কিছু যুবকের সাথে মোবাইলে কথা বলতো। হয়তো কারো সাথে প্রেমের সম্পর্কও গড়ে উঠতে পারে। সেই সুত্র ধরেই কিলার গ্রুপটি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কেয়াকে হত্যার পর তার কাছে থাকা ৯০ হাজার টাকা নিয়েছে। নিহত কেয়ার পিতা জানান, মোবাইলের কল লিস্ট যাচাই করলেই কারা এই হত্যার সাথে জড়িত তা বেরিয়ে পড়বে।

বিষয়টি নিয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুর রহমান জানান, এটা গলিত লাশ তাই ডিএনএ টেস্ট ছাড়া আমরা বলতে পারব না যে এটি কেয়া খাতুনের লাশ।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো