English|Bangla আজ ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার সকাল ৮:৫১
শিরোনাম
কুড়িগ্রামে সেকেন্দার বীজ হিমাগারে নতুন আলু সংরক্ষনে দোয়া ও মিলাদগাইবান্ধায় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালিতখানসামায় সরক দুর্ঘটনায় মটর সাইকেল আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু।ঠাকুরগাঁও নাগরিক কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতকুড়িগ্রামে রাস্তা সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব পনিরউলিপুরে ট্রাক চাপায় শিশুর মৃত্যুবঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে লাউডোব ইউনিয়ন আ’লীগের আলোচনা সভা:নবীনগরে মুজাক্কির হত্যার বিচার চেয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন নবীনগর থানা প্রেসক্লাব।নওগাঁয় সকালে তালিকা থেকে বাদ ॥ দুপুরে মৃত্যু ॥ বিকেলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ॥ এলাকায় আলোচনার ঝড়পলাশবাড়ীতে প্রমীলা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহের বুক চিরে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদী দখলকারী ৭৩ জনের নাম।

সোহরাব হোসেন ক্রাইম প্রতিবেদক, ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহে নদী ও খাল দখলকারী হিসেবে ৭৪৪ জন চিহ্নিত হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনের মত বুধবার নবগঙ্গা নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডর তালিকা মোতাবেক নবগঙ্গা নদীর জমি দখল করে ৭৩জন স্থাপনা গড়ে তোলে। এ সব স্থাপনা দ্বিতীয় দিনের মতো গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এব্যাপারে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডর এসডি ফয়সাল আহম্মেদের সাথে আলাপকালে ক্রাইম প্রতিবেদক কে জানান, শৈলকুপা উপজেলার কাতলাগাড়ি, লাঙ্গলবাধ, কোটচাঁদপুর উপজেলার চুঙ্গার বিল, হরিণাকুন্ডু উপজেলার রামনগর সাতব্রীজ এলালায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে আছে ৬৭১ জন দখলদার।

ঝিনাইদহে নবগঙ্গা নদীর তীরবর্তী দখলদারদের উচ্ছেদের পর কাতলাগাড়ি, লাঙ্গলবাধ, চুঙ্গার বিল ও রামনগর সাতব্রীজ এলালায় অভিযান চালানো হবে।

এই উচ্ছেদ অভিযানে ভবন ভাঙ্গা বা পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দিতে হচ্ছে ৩০ লাখ টাকা। নবগঙ্গা নদী দখলদার হিসেবে যারা চিহ্নিত হয়েছেন তারা হলেন, চাকলাপাড়ার মশা দাস, সদানন্দ দাস, আন্তারাম দাস, রাধা দাস, পলাশ কুমার সাহা, মিন্টু দাস, কান্ত দাস, স্বরজিৎ কুমার বিশ্বাস, গোবিন্দ শর্মা, রমেশ কুন্ডু, স্বরসতি অধিকারী, পলাশ, বুদ্ধি দাস, পিযুস দাস, বিশ্বনাথ দাস, ফকির চাঁদ, মনিরুল ইসলাম, সুজিত কর্মকার, গিলাবাড়িয়ার সুকুমার বিশ্বাস, বাড়ি বাথানের সিদ্দিক, পুরাতন হাটখোলার দেবু দাস, তোয়াজ উদ্দীন, বাবলু, রেজাউল, রফিকুল, মর্জিনা বেগম, আমানুল্লাহ, ভোলা রুদ্র, ভুটিয়ারগাতির উৎপল, আমিরুল ইসলাম, আসালত, ইকবাল হোসেন, সানু, খোর্দ ঝিনাইদহের অসীম কুমার মিত্র, আনোয়ারুল কাদের জোয়ারদার, গীতাঞ্জলী সড়কের উৎপল সরকার, ক্যাসেল ব্রীজ এলাকার বন্ধন শিল্পগোষ্ঠি, রহমান হোমিও, উজ্জল স্টুডিও, রহমান হোমিও, অডিও চয়েস, মনি সাউন্ড, সুর তরঙ্গ, লিপু রেডিও, সুমন ডিজিটাল, ড্রইট সাউন্ড, বাঁধন ফার্মেসি, মনিরা ফার্মেসি, মা বিপনী, কেচি গেট দোকান, পবহাটী গ্রামের রিপন, মাজেদা খাতুন, নাছির উদ্দীন, দুলাল, জাহিদুল, ইসমাইল, কাজী আমির হোসেন, পবহাটী শেখ পাড়ার আমির, আরাপপুরের ওহিদুল, আশরাফুজ্জামান, কে এস জাহাঙ্গীর, মশিয়ার, আমানুল্লা, আকরাম, শাহানাজ পারভিন, মাহবুবুল ইসলাম, মাষ্টার পাড়ার, শহিদুল, সত্তেন মাষ্টার, আরাপপুর পশ্চিমপাড়া বটতলার তাজ উদ্দীন, ডাক্তার আলাউদ্দীন ও জুয়েল।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব সাক্ষরিত তালিকা থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। এবিষয়ে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন প্রকৌশলী জাকির হোসেন ও সেলিম রেজার সাথে আলাপ কালে তারা এই ক্রাইম প্রতিবেদক কে জানান, জেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে নদীর সীমানা নির্ধারন করে দখলদার চিহ্নিত করা হয়েছে।

কাজেই এই তালিকা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।শৈলকুপার কাতলাগাড়ি, লাঙ্গলবাধ, কোটচাঁদপুরের চুঙ্গার বিল, হরিণাকুন্ডুর রামনগর সাতব্রীজ এলালায়ও নিরপেক্ষ ভাবে সার্ভে করে দখলদার চিহ্নি করা হয়েছে বলেও জানান তারা ।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো