English|Bangla আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার রাত ৯:৪৫
শিরোনাম
ফুলছড়িতে ভূমি অফিস নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন-ডেপুটি স্পীকারখানসামায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য গীতা বিদ্যালয় উদ্বোধন।রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপিত হেলাল সম্পাদক দুলুগোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহণ ও সংবর্ধনাপলাশবাড়ীতে রাস্তায় ইটের সোলিং করণ প্রকল্পের উদ্বোধণনওগাঁয় গলা ও পায়ের রগকাটা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করলো পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসসোনারগাঁওয়ে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণপ্রেমিকাকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণেরসাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে ঘাটাইল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন।সিদ্ধিরগঞ্জে চার্জ বিহীন ডার্চ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে রোহিঙ্গা ক্যামেরাম্যানদের হাতে পর্যটক নির্যাতন

দেলোয়ার হোছাইন (মহেশখালী কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রাই ক্যামরাম্যান রোহিঙ্গা বলে খবর মিলেছে। তাদের হাতে নির্যাতিত হচেছ পর্যটকরা। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের দীর্ঘতম পর্যটক নগরী, এই সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ করতে দেশি বিদেশি পর্যটকরা ছুটে আসে,সমুদ্র সৈকতের পরিবেশে কখনো পর্যটকরা নির্যাতিত হয় না,কক্সবাজারে নিরাপদে পর্যটক ভ্রমণের একটি সুনাম ও রয়েছে,রোহিঙ্গারা আসার পর থেকে কিছু কিছু ক্যামরা ব্যবসায়ীরা খুব অল্প বেতনে ক্যামরাম্যান হিসাবে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করার খবর পাওয়া গেছে।

এই রোহিঙ্গা ক্যামরাম্যানরা সুযোগ বুজে পর্যটকদের কে ১০ ছবি তুলতে বল্লে ৫০ টি তুলে বসে,পরে পর্যটকদের অসহায় করে টাকা আদায় করে নেয় বলে জানিয়েছেন (টুরিস্ট গাইড ফেডারেশন)নামক একটি ফেইসবুক ফেইজে। শনিবার ১৪-০৩-২০২০ ইং তারিখের সেই ফেইসবুকে লিখাটি হুবহু তুলে ধরা হল- গত কাল দুপুর ২ঃ২০ মিনিটের সময় একজন পর্যটক সুগন্ধা বীচে এসে এক ক্যামরাম্যান কে ১০ ছবি তুলতে বল্লে সে ৭০০ টি তুলেফেলে পরে পর্যটকের সাথে কয়েকজন ক্যামরাম্যান সিন্ডিকেট ঝগড়া শুরু করে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে পর্যটককে অন্যায়ভাবে মেরে রক্তাক্ত করার ছবি আছে।

অবিলম্বে ক্যমেরাম্যানের চদ্মভেসে থাকা এই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন ও সমুদ্র সৈকতের সকল লাইসেন্স বাতিল করুন। ককসবাজার সমুদ্র সৈকতে DSLR ক্যামেরায় ছবি উটানোর নামে রোহিঙ্গাদের গুন্ডামী নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা, দশটি ছবিরর স্থলে ২০০ ছবি তুলে ফেলবে ও জোর করে বাধ্য করবে আপনাকে সব ছবি নিতে।

আর নগদ টাকাতে সব ছবি না নিলেই পর্যটকদের উপর নেমে আসে বর্বর অত্যাচার। আর এই কাজে ব্যবহার করা হয় রোহিঙ্গাদের যা দেখার কেউ নেই।

গতকাল সুগন্ধা পয়েন্টে দুপুর ২ঃ২০ সময় এক পর্যটক ৩ টাকা দরে ছবি তুলার চুক্তি করে ক্যামরাম্যানের সাথে কিন্তু সুযোগ বুঝে ক্যামেরাম্যান ৭০০ ছবি তুলে ফেলে যার মূল্য আসে ২১০০ টাকা যা একজন ছাত্রের জন্য অনেক ব্যায়বহুল তাই সে ১০০০ এক হাজার টাকার ছবি বেচে নেবার বা সব ছবি ১ এক হাজার টাকার মধ্যে দিতে অনুরোধ করলে শুরুহয় এই বর্বর নির্যাতন। যার ভয়াবহতা দেখে অনেক পরে একজন পর্যটক ভিডিওটি করেন। কিন্তু যে ক্রাইম সিন্ডিকেট গড়ে উটেছে সমুদ্র সৈকত জুড়ে তা অনেক শক্তিশালী।

তাদের কারোই স্বনামে ছবি তোলার লাইসেন্স নেই। বরং ককসবাজারের পাতি, আধা পাতি, চাটুকার ও প্রশাসনের দালাল শ্রেণীর কিছু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের নামে বিভিন্ন লাইসেন্স করে তা বেতন ভুক্ত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের নিয়োগ করা হয়। অথচ এ শহরের শত শত ছেলে বেকার যাদের এরকম একটি লাইসেন্স হলেই হত বেঁচে থাকার অবলম্বন।

অথচ সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিদিন এভাবে পর্যটকদের হয়রানী তো করছেই পাশাপাশি সকল ক্যামেরাম্যান ও জেটস্কীর হেলপার মিলে হামলা করে নির্মম আহত করার পর ত্রান কর্তারা এগিয়ে আসেন সাহায্যের নামে শুরু হয় আহত দেহের মানুষটিকে মানসিক টর্চার। অবশেষে মান ইজ্জত থাকতে কেটে পড়ে পর্যটকরা।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো