English|Bangla আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪:৩২
শিরোনাম
সোনারগাঁওয়ে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণপ্রেমিকাকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণেরসাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে ঘাটাইল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন।সিদ্ধিরগঞ্জে চার্জ বিহীন ডার্চ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধনতুরাগে দৈনিক নাগরিক ভাবনা পত্রিকার ১ম বর্ষপূর্তি পালিত।করোনার ভ্যাকসিন সরকারের সাফল্য-শামীম ওসমানসূর্যমুখী চাষে কৃষক ও ফুল পিয়াসী সবারই আত্মতৃপ্তিদাগনভূঞা পৌরসভার কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহন ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিতচুরি করতে এসে স্বর্ণসহ আকট চকরিয়া থানার ইউপি মেম্বার আরজ খাতুনবাংলাদেশ মানব কল্যাণ এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা!

একটি শহরের মশার গল্প

সাইদুর রহমান সাঈদঃ

গল্পটি লিখতে মশার অত্যাচারই অন্যতম কারণ।
দিনটি ছিলো চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ বৃহস্পতিবার সভাবত কারনেই সপ্তাহের শেষ দিন থাকায় কর্মব্যস্ততা ছিলো বেশী। দুপুরের বিরতি শেষে গাড়ী করে যাচ্ছিলাম গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে জয়দেবপুর থানা রোডস্থ গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের মিটিং এ অংশ গ্রহনের জন্য। হঠাৎ আমার গাড়ীটা পুলিশ লাইন্সের কাছাকাছি এসে সমস্যা দেখা দেয়। গাড়ী থেকে নেমে কিছুতেই বুঝতেছিলাম না কি হয়েছে। পুলিশ লাইন্সের পশ্চিম পার্শেই একটা গ্যারেজের মিস্ত্রিদের ডাকলাম। তারা গাড়ী তাদের গ্যারেজে নিয়ে গেলো।
মিস্ত্রিরা কাজ করছে আমিসহ আমার সহকর্মীদের অপেক্ষার পালা শুরু। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এলো। সন্ধ্যার সাথে সাথে নেমে এলো আরো একটি যন্ত্রণা মশার যন্ত্রণা। এতো মশা মনে হচ্ছিলো আমরা ভূলে মশার রাজ্যে প্রবেশ করেছি। কিছুতেই সেখানে টেকা সম্ভব হচ্ছিল না। কিছু সময়ের মধ্যেই আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গেলাম মশার যন্ত্রণায়।
গ্যারেজ মিস্ত্রিকে জিজ্ঞেস করলাম এটাতো পুলিশ লাইন্সের পাশে এখানে কি মশা নিধনের জন্য সিটি কর্পোরেশন কোনো ব্যবস্থা নেয়না। সে উত্তরে বলল এটা শুধু লোক দেখানো নামেমাত্র এখানে অনেক আগে দু একদিন মশার ঔষধ দিয়েছিলো। আমি রীতিমতো বিস্মিত হলাম এই ভেবে যে, গাজীপুর সিটি করপোরেশন এর মেয়র যেখানে সারা দেশে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় বিনামূল্যে মশা নিধন ঔষধ বিতরণ করেছে, সেখানে গাজীপুর সিটির প্রানকেন্দ্র গাজীপুর পুলিশ লাইন্স এলাকা এখানেই এতো খারাপ অবস্থা।
তবে কি এ মশা থেকে কোনো পরিত্রানের উপায় নেই। সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম তাহলে ব্যর্থ। খবর নিয়ে জানতে পারলাম সিটি কর্পোরেশনের প্রায় সব এলাকায়ই মশার যন্ত্রণায় টেকা দায়। বিশেষ করে কোনাবাড়ী, চান্দনাচৌরাস্তা, জয়দেবপুর, টঙ্গীসহ বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে সন্ধ্যার পর মশার যন্ত্রণায় দাড়ানোই যায়না।
গতবারের ঢাকার অবস্থার কথা বিবেচনা করে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে অগ্রীম ব্যবস্থা না নিলে এই শহরে সামনের দিনগুলিতে মানুষ বসবাস করাই কষ্টসাধ্য হবে। তাই গাজীপুর সিটি প্রসাশন এখনই সাধারণ মানুষকে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে নিয়মিত মনিটরিং এর মাধ্যমে অগ্রীম নিয়মিত মশা নিধনে কীটনাশক ছিটানোর ব্যবস্থা নিলে অনেকাংশেই মশা থেকে মানুষ মুক্তি লাভ করবে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো