1. admin@bsalnewsonline.com : admin :
  2. alexpam3107@gmail.com : Alexkanda :
  3. editor@dailyekattorjournal.com : জাকির আহমেদ : জাকির আহমেদ
  4. zakirahmed0112@gmail.com : Zakir Ahmed : Zakir Ahmed
  5. vroglina@mail.ru : IsaacCliet :
  6. marcia-tedbury18@lostfilmhd720.ru : marciatedbury :
  7. rayhanchowdhury842@gmail.com : Rayhan :
  8. m.r.rony.007@gmail.com : rony : MahamudurRahm Rahman
  9. ki.po.n.io.m@gmail.com : roxanaaronson3 :
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চরফ্যাশনে করোনা ভাইরাসের বিস্তার বন্ধে সচেতনতা মূলক প্রচার প্রচারণায় ইয়ুথ পাওয়ার ইন বাংলাদেশ উলিপুরে গুনাইগাছ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে পিকআপ ভর্তি পলিথিন জব্দ : আটক-২ ফুলপুরে সাহিত্য পরিষদের দোয়া ও ইফতার নাটোরের বাগাতিপাড়ায় বয়স্ক দম্পত্তিকে কুপিয়ে হত্যা বাঙ্গরায় যুবলীগের উদ‍্যোগে পথচারী ও নিন্মআয়ের মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরণ কুড়িগ্রামে ৭বছরের শিশু ধর্ষণ- ধর্ষক গ্রেপ্তার সাদুল্যাপুরের নলডাঙ্গা প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ বরখাস্ত প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করলেন এ্যাড. উম্মে কুলসৃম স্মৃতি এমপি পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আজও বাবাকে বাবা বলে ডাকতে পারি,আল্লাহর কাছে কোটি কোটি শুকরিয়া

  • Update Time : রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন জীবন গাজীপুরঃ

আমি মোঃ মনির হোসেন গত,২৭-০৩-২০১৭ইং তারিখ
আমার বাবা মোঃআবুল হোসেন গাজীপুর মহানগরীর দক্ষিণ বাউপাড়া ২১ নং ওয়ার্ডের, মৃতঃ রবি উল্লাহ মিস্ত্রির বড় ছেলে ব্রেইন স্ট্রোক করেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে আজও দুনিয়ার বুকে ছেলে সন্তানের মাঝে বাঁচিয়ে রেখেছেন আল্লাহর কাছে কোটি কোটি শুকরিয়া আদায় করি,আমার বাবা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন,তার সম্পর্ক ছিল স্কুল মসজিদ-মাদ্রাসার সাথে, তিনি একজন সামাজিক লোক ছিলেন।
এবং দক্ষিণ বাউপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহ-সভাপতি, দক্ষিণ বাউপাড়া আমামা জামে মসজিদের সেক্রেটারি দায়িত্ব পালন করে আস ছিলেন।

দক্ষিণ বাউপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের এমন আনন্দ দিয়ে শিক্ষা দিতেন, এক বার অভিভাবক একবার টিচার একবার খেলার সাথী,শুধু তাই নয়,পরিক্ষার ২/১ দিন আগে প্রতিটা ছাত্র ছাত্রীর বাড়িতে সন্ধ্যার পর সে গিয়ে খোঁজখবর নিতেন ছাত্র/ছাত্রীরা শুয়ে আছে নাকি পড়ালেখা করছে,এতোটুকু দায়িত্ব পালন করতেন তিনি,শুধু ছত্র/ছাত্রীদের পড়ালেখার মান উন্নয়ন ও স্কুলের সুনাম অর্জনের জন্য এই দায়িত্ব গুলো পালন করে আসছিলেন।

হঠাৎ করে একদিন রাত ৮ টার দিকে ব্রেইন স্টোক করলেন।
আজ তিনটি বছর পার হয়ে যাচ্ছে। তার একটু বিবরণ আমি লিখেছি,দয়া করে আশা করি পড়বেন।

আমার বাবা ব্রেন স্ট্রোক করে,২০১৭সালে দিনটি ছিল সোমবার সেই দিন সকাল বেলা বাবা জামাত থেকে বাসায় আসেন, আমাদের একটু ধানের জমি আছে,বাবা চলে যান সেখানে জমিতে কাজ করতে, কাজ শেষ করে দুপুরে বাসায় এসে গোসল করে মসজিদে চলে যান নামাজ পড়তে, নামাজ শেষ করে বাসায় এসে দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম করেন। তারপর আসরের নামাজ পড়ে, বাড়ির পাশে বাজারে চলে যান,বাজার শেষ করে মাগরিবের নামাজের পূর্বমুহূর্তে বাসায় চলে আসে, বাজার গুলো বাসায় দিয়ে মাগরিবের নামাজ পড়তে মসজিদে চলে যান, তারপর এশার নামাজ পড়ে বাসায় চলে আসে,রাতের খাবার খাওয়ার পর বাবার একটি অভ্যাস ছিল, দাঁত ব্রাশ না করে বিছানায় ঘুমাতে যেতেন না।

তখন ব্রাশ টুথপেস্ট হাতে নিয়ে রুম থেকে মাত্র দরজার সামনে আসেন তখনই তার হাত আর পা কাঁপতে শুরু করে তখন বাবার পাশেই ছিল, মা আমাকে ডেকে বলল তোর বাবা যেন কেমন করছে,তাৎক্ষণিক আমার রুম থেকে দৌড়ে বাবার কাছে আসি, বাবাকে ধরে বাড়ির উঠানের উপর দিয়ে হাঁটাতে চেষ্টা করি কিছুতেই বাবা ভাল করে হাঁটতে পারছে না। আস্তে আস্তে হাত পা এবং মুখ বাঁকা হয়ে যাচ্ছে, কথা বলতে পারছিলো না। তখন বাবাকে বারান্দায় শুয়ে মাথায় পানি দিতে থাকি, বাবার ডান হাত দিয়ে দাঁড়ি ধরতে চেষ্টা করেছিল কিন্তু ধরতে পারেনি বাম হাত দিয়ে মাথায় ডান পাশে একটি সজোরে ডলা দিয়ে চোখ দুটো বন্ধ করে দেয় তখন শুধু বমি আর বমি। তাৎক্ষণিক গাড়ি দিয়ে ঢাকা নিউরোসাইন্স হসপিটালে নিয়ে যায়, রাতেই বাবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হলো, পরীক্ষাতে ধরা পরল বাবা ব্রেন স্ট্রোক করেছে।

সকালবেলা বাবাকে অপারেশন থিয়েটারে দিয়ে দেই, অপারেশন শেষ করে বাবাকে আইসিওতে দিয়ে দেয়। বিকাল বেলা বাবাকে একটু দেখতে যাই আইসিওর ভিতরে, বাবাকে দেখে বোঝা যায় না জীবিত না মৃত, ওখানে একটি মনিটর লাগানো আছে, সেদিকে তাকিয়ে, পেশার হার্টবিট পালস দেখে বুঝতে পারি বাবা জীবিত আছে। ঠিক ১৫ দিন পর বাবার চোখ মেলে তাকায়,কিন্তু কাউকে চিনতে পারেনা, বাবার সাথে এস ডিও রুমে ৮ জন রোগী ছিল একে একে সবাই মারা যাচ্ছে, তখন আমার বাবা আর একজন রোগী ছিল তখন আমরা সবাই হতাশ হতে থাকতাম, কখন যেন বাবাকে হারিয়ে ফেলি চিরতরে। আল্লাহর রহমতে এক মাস পর বাবাকে বাড়িতে নিয়ে আসি, এখন আল্লাহর রহমতে বাবা মোটামুটি সুস্থ্য কিন্তু একা চলাফেরা ও কথা বলতে পারবে না।

আমি নিজের হাতে ভাত মাখিয়ে বাবাকে খাইয়ে দেই, আমি মনে করি এটা আমার সৌভাগ্য। বাবা মৃত্যুর কোলে হেলে পড়ে ছিল। যদি মরে যেত আমরা বাবাকে ভুলেও যেতাম,
আজও বাবাকে বাবা বলে ডাকতে পারি, আল্লাহর অশেষ রহমত, আর মানুষের দোয়ায় আল্লাহপাক বাবাকে এখনো জীবিত রেখেছেন। যার বাবা দুনিয়াতে বেঁচে নেই
সেই বুঝে বাবার বেদনা, আর যার বাবা দুনিয়াতে বেঁচে আছে সঠিক সেবা যত্ন করে যাব, লেখার আরো অনেক কিছু ছিল, শেষ করতে পারবো না আজ আর নয়, আমার শেষ কথা যার বাবা বেঁচে আছে সেবা-যত্ন করব।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category