English|Bangla আজ ২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার সকাল ৬:১৯
শিরোনাম
সাপাহারে খোট্টা পাড়া সরিষাভাঙ্গা মেশিনের ফিতার সাথে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু।বান্দরবানে ১৫০ শিক্ষার্থীকে দেয়া হলো বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা সহায়ক বইবান্দরবানে ত্রিমুখী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৬মুরাদনগরে মনিরুল আলম দিপুর উদ‍্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণবিদ্যুতপৃষ্টে চাচা ভাতিজার মৃত্যুতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন।ইউএনও একরামুল ছিদ্দিকমুজিববর্ষে পত্নীতলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার বাড়ি পাচ্ছেন ১১৪ টি ভূমিহীন পরিবারশ্রীমঙ্গলে আগামী কাল গৃহহীনদের জন্য নবনির্মিত ৩শত ঘর উদ্বোধন করা হবে আগামীকালপিএইচডি কর্তৃক চরফ্যাশনে মা ও কিশোর-কিশোরী সমাবেশ অনুষ্ঠিতচিলমারীতে জ্বালানী তেল সরবরাহ এবং ডিপো স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধনচিলমারীতে পাট গুদামে আগুন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

অন্যের বাড়ীর রান্না ঘরে বসবাস: পিতার বিরুদ্ধে অভিযোগ কিশোরীর

তাবারক হোসেন আজাদ, লক্ষ্মীপুর

জিতু আক্তার। বয়স ১৪ । সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। তারা দুই বোন। লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বামনী ইউপির চৌধুরী বাজার এলাকায় এক প্রবাসীর বাড়ীর রান্না ঘরে মা’র সাথে বসবাস করছেন। অভাবের তাড়নায় বড় বোনের বাল্য বিয়ে হয় ভ্যান চালকের কাছে। প্রায় ৬ বছর আগে প্রথম বিয়ে গোপন রেখে তার মা কিরনকে বিয়ে করে রাজমিস্ত্রি বাবা বকুল হোসেন বিদেশ চলে যায়। তিন বছর পর দেশে এসে মানিকগঞ্জে তৃতীয় বিয়ে করে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। গত ৬ মাস আগে জানতে পেরেছেন ৫ম স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বাড়িতে বসবাস করছেন। দুই বোনের ভরন পোষন দিতে বাবার কাছে গেলে তিনি তাদের অস্বীকৃতি জানায়। অবশেষে কারো কাছে বিচার না পেয়ে জিতু তার অধিকার ফিরে পেতে বাবার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (০১ ডিসেম্বর) সন্ধায় থানায় অভিযোগ করেছেন।

জিতুর লিখিত অভিযোগে জানাযায়, রায়পুরের চরমোহনা ইউপির দক্ষিন চরমোহনা গ্রামের কাজিগো চৌরাস্তা এলাকার বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি বকুলের মেয়ে তিনি। প্রায় ৬ বছর আগে তার মায়ের টাকায় বাবা বিদেশ যান। পরে বিদেশ থাকাবস্তায় দাম্পত্য কলহে তার মা কিরনকে তালাক দিয়ে গোপনে মানিকগঞ্জ এক মেয়েকে বিয়ে করে নিরুদ্দেশ থাকে তার বাবা। পরে বাড়ী থেকে তাদের মাসহ দুই বোনকে তাড়িয়ে দেয় তার দাদা, দাদি ও চাচারা। নিরুপায় হয়ে বামনী ইউপির চৌধুরী বাজার এলাকার এক প্রবাসী ও তার স্ত্রী তাদের রান্না ঘরে বসবাস করার জন্য বলেন এবং আজও ওখানেই রয়েছেন। যখন জানতে পারেন তার বাবা বকুল হোসেন ৫ম স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে নীজ বাড়িতে বসবাস করছেন। তখন তারা দুই বোন তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ করলেও সে তাড়িয়ে দিয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্যদের কাছে বিচার চেয়েও পাননি। অবশেষে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে জিতু।

জিতু ও মিতুর মা কিরন বেগম বলেন, বাবার বাড়ির জমি বিক্রি করে বকুলকে বিদেশ পাঠালাম। বিদেশ গিয়ে দুই মেয়েসহ আমাকে তালাক দিয়ে এ পর্যন্ত ৫ বিয়ে করেছে। কাবিনের তিন লাখের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পেলেও ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় দালালরা। এখন দুই মেয়েকে নিয়ে এক প্রবাসীর বাড়ীর রান্না ঘরে বসবাস করছি। আমার দুই মেয়ের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানাই।

রায়পুরের চরমোহনা ইউপি সদস্য আরিফ হোসেন ও গ্রামবাসী মুরাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বকুল মিয়া একজন ভন্ড ও বদমাইশ। আমাদের কথা না শুনে না। তাই আইনের সহযোগিতা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে মেয়েদের।
অভিযুক্ত বকুল হোসেনের মোবাইলে যোগাযোগ করে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

রায়পুর থানার ওসি আবদুল জলিল বলেন, বাবার বিরুদ্ধে করা ৭ম শ্রেণীতে কিশোরির লিখিত অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে

লক্ষ্মীপুর
০১৭১৮০৭৮৪৩৯
০১/১২/২০২০

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো